আটঘরিয়ার প্রধান শিক্ষক সেলিনা খাতুনের অপসারন দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ

আটঘরিয়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার ৭০নং রতিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ সেলিনা খাতুনকে অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা, অবস্থান ধর্মঘাট ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর।

গতকাল বুধবার উপজেলা প্রধান ফটক ও আটঘরিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে দুপুর ১২টার দিকে চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়কের ওপর ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও এলাকাবাসি সড়ক অবরোধ করে রাখেন। প্রায় এক ঘন্টাব্যাপি এই সড়ক অবরোধে আটঘরিয়া থানা পুলিশের অনুরোধে উপজেলা চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম উপস্থিত জনগণকে ১ঘন্টার জন্য রাস্তার ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানায়।

উপজেলা চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম তার বক্তব্যে জনতার সাথে একমত পোষণ করে বলেন ঐ দূর্ণীতিবাজ প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ সেলিনা খাতুন ইতোপূর্বে ঐ স্কুলে অভিভাবক সমাবেশে আমাকে দাওয়াত দিয়েছিল। তার স্বামী উপস্থাপনায় বলেন ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া আমার স্ত্রীকে পুরস্কার দিয়েছিল। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারিতে জঘণ্যতম কাজ করেছে। আমরা তার নিন্দা জানাই।

মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আব্দুল বারী বলেন, আমাকে ঐদিন প্রধান শিক্ষিকা সেলিনা খাতুন গত ২০ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোনে দাওয়াত করেন। আমি সকালে নামাজ পড়ে এসে দেখি ফুল দেওয়া শেষ হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, কিসের বালের মুক্তিযোদ্ধা, এভাবেই তিনি অকথ্যভাষায় আমাকে গালিগালাজ করে। আমি এই অপমানের বিচার চাই। এবং সভাপতি সহ সকলের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হোক।

হঠাৎ মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ শুরু হলে জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে সুরাহ হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেবোত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোহাইমিনুল হোসেন চঞ্চল, চাঁদভা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কামাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রাজু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান টুটুল, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মুকুল, চাঁদভা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম, আওয়ামীলীগ নেতা মকবুল হোসেন শাবান, এসএম মানিক হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা রিসরাত বিশ্বাস রবি প্রমুখ।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন