ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়ায় প্রভাবশালীদের ২৫০টি সরকারি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতাঃ ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়ায় সরকারি দলের প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় সড়কের দু’ধারের প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। যার বাজার মূল্যে প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মুনশিদপুর থেকে দরগাবাজার পর্যন্ত রাস্তাার দু’ধার থেকে এসব গাছ কাটা হয়। দাশুড়িয়ার দাপুটে আওয়ামী লীগ নেতার ছত্রছায়ায় থাকা ব্যক্তিরা দুঃসাহসিকভাবে গাছগুলো কেটে নেয়।

এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তা প্রসস্থ করার জন্য রাস্তার দু’ধারে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির আড়াই শতাধিক গাছ কাটা হয়েছে। কে বা কারা এসব গাছ কেটেছে তাঁর কোন তথ্য নেই বন বিভাগ  এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তা প্রশস্থ করণের জন্য দু’ধারের গাছগুলো কাটার জন্য চিহিৃত করা হয়। বন বিভাগের লোকজন গাছগুলো সিল করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকজন জানান, প্রায় ২৫০টির মতো গাছ কাটা হয়েছে।

যার বাজার মূল্যে প্রায় অর্ধকোটি টাকা। দাপুটে সরকারি দলের ক্ষমতাধর নেতার ছত্রছায়ায় থাকা ব্যক্তিরা দুঃসাহসিকভাবে প্রকাশ্যে গাছগুলো কেটে নেয়। সুষ্ঠু তদন্ত হলে অপরাধীরা সনাক্ত হবে বলে জানান তিনি।

৬ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত মেম্বার আলাউদ্দিন খান জানান, রাস্তার দু-পাশের গাছ গুলো রোপন করেছিলো এলইজিডি কর্তৃপ। এলাকার কিছু লোককে সেগুলো কাটতে দেখেছি । নির্বাচনে ব্যস্ততার কারনে কে বা কাহারা সেগুলো কেটেছে বা কেন কাটছে সেটা জানতে পারিনি বলে তিনি জানিয়েছেন।

৬নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার মজিবর রহমান গাছ কাটার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাস্তার দু’ধারের গাছ গুলো এলইজিডি কর্তৃপক্ষ বা উপজেলা বন বিভাগের কেউই কাটেনি।

ঈশ্বরদী উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন জানান, এলজিইডি কর্তৃপ আমাদের মাধ্যমে গাছগুলোতে সীল করেছে। প্রকৃতপক্ষে জেলা পরিষদের আওতায় রাস্তার দু’ধারে বৃরোপন হয়েছিল। গাছ কাটার বিষয়ে প্রশ্ন করলে এই কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে গাছে আমরা সীল করেছিলাম।

আরও পড়ুনঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ঘুষ নিয়েও নির্বাচনী ডিউটি থেকে বঞ্চিত করলেন দলপতি

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন