উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের কঠোর হুসিয়ারী আটঘরিয়া কার্যতঃ লকডাউনের মতই

আটঘরিয়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য আটঘরিয়া উপজেলা প্রশাসন এবং পৌর কর্তপক্ষ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান ছাড়া সকল চায়ের দোকানসহ অন্যান দোকান বন্ধ রাখা ও জনগনকে বাজারে অবস্থান না করার নিদের্শনা দিয়ে সতর্ক করছেন।

এসব বিষয়ে মাইকিং করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারনা করায় কর্যতঃ লকডাউনের মতই চলছে আটঘরিয়া পৌর এলাকা। পৌর মেয়র মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন ব্যক্তিগত ভাবে এলাকায় নেমে জনগনকে সতর্ক বানী শোনচ্ছে।

গত ২২ ও ২৩ মার্চ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এলাকায় মাইকিং করে সকল চায়ের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে পৌর এলাকায় তা বাস্তবায়িত হলেও উপজেলার কোন কোন বাজারে তা মানা হচ্ছে না।

আটঘরিয়া পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় কোন লোকজনকে বাজার-ঘাটে অধিক সময় না কাটিয়ে বাড়ীতেই অবস্থান করতে বলা হচ্ছে।

বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে সার্বক্ষনিক হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্ধেদ দেওয়া হচ্ছে, কেউ বিদেশ থেকে এসে গোপন করলে বা বাইরে বের হলে প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সকলকে মাস্ক ব্যবহার ও সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ব্যপক প্রচারনার কারনে বাজার ঘাটে লোক সমাগম কমে গেছে। এসব কারনে নিম্ন আয়ের মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে।

আটঘরিয়া হাসপাতালের ডা. রফিকুল হাসান জানান, ইতিমধ্যে আটঘরিয়া ৪০ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে আটঘরিয়া উপজেলায় শতাধিক বিদেশ ফেরত ব্যক্তি বাড়ীতে এলেও অনেকেই হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ মানছে না। করোনা অতক্তেকর সুযোগে কিছু অতি সুযোগ-সন্ধানী ব্যবসায়ী চাউলসহ নিত্য প্রযোজনীয় জিনিসের অতিরিক্ত মূল্য নিচ্ছে। এ ব্যাপারে কঠোর বাজার মনিটরিং এর দাবী সচেতন মহলের।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন