ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

করোনা রোগী নেই রাজশাহীতে; চারজন আইসোলেশনে

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৫:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০
  • / 2

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ করোনাভাইরাস সংক্রনের কোনো রোগি শনাক্ত হননি রাজশাহীতে। কিন্তু জ্বর-সর্দির উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীর সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালে চারজন রোগি বর্তমানে আইসোলেশনে আছে। এই চারজন রোগী করোনা আক্রান্ত কি না তা পরীক্ষার করা হবে।

মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত সংবাদ সম্মেরনে এ বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ সময় কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ জানান, আইসোলেশনে থাকা চারজন রোগির মধ্যে তিনজন নতুন রোগী। এদের একজন রাজশাহী নগরীর। একজন এসেছেন রাজশাহীর চারঘাট থেকে। অন্যজন এসেছেন পাবনা থেকে। তাদের প্রত্যেকে আলাদা আলাদা করে রাখা হচ্ছে। এদের বয়স ৩৫, ২৫ ও ১৮। প্রত্যেকেই মাস্ক পরে আছে। আর চিকিৎসকরা সুরক্ষিত পোশাক পড়ছেন।

রামেক হাসপাতালের এই চিকিৎসক আরো জানান, আইসোলেশনে থাকা চারজনের ব্যক্তির মাঝে একজন এখন প্রচন্ড আতঙ্কিত আছে। বর্তমানে তাকে কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। ওষুধও দিতে হচ্ছে। আতঙ্কের মাঝামাঝি জায়গায় থাকলে ভালো। আতঙ্ক না থাকলে মানুষ অসচেতন থাকে, তখন ভাইরাস ছড়াতে পারে। কিন্তু আতঙ্ক বেশি হলে রোগিগুলো সমস্যায় পড়েন। এতো তীব্র আতঙ্ক আমাদের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

তিনি জানান, মঙ্গলবারের মধ্যেই এই চারজন রোগির নমুনা পরীক্ষা করা হবে। কেউ যদি আক্রান্ত না হয় তবে তাকে কখনোই সন্দেহভাজন রোগির সঙ্গে রাখা হবে না। আমরা বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতাল অধিগ্রহণের চেষ্টা করছি। এটা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কেউ শনাক্ত হলে তাকে প্রাইভেট হাসপাতালেই রাখা হবে। সেখানে কারও অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে গেলে তাকে নিয়ে আসবো রামেক হাসপাতালের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে। এখানে কেউ সংকটাপন্ন হয়ে গেলে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হবে।

তিনি আরো জানান, চিকিৎসকদেরও টিম করা হয়েছে। একজন চিকিৎসক টানা সেবা দিতে পারবেন না। আক্রান্ত রোগির সাতদিন চিকিৎসা করার পর তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হবে। চিকিৎসক-নার্সসহ সংশ্লিষ্ঠ সবার বিষয় বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এই মুহুর্তে ১৫টি ভেন্টিলেটর রয়েছে। আরও পাঁচটি আসতে পারে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌসসহ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা।

করোনা রোগী নেই রাজশাহীতে; চারজন আইসোলেশনে

প্রকাশিত সময় ০৫:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ করোনাভাইরাস সংক্রনের কোনো রোগি শনাক্ত হননি রাজশাহীতে। কিন্তু জ্বর-সর্দির উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীর সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালে চারজন রোগি বর্তমানে আইসোলেশনে আছে। এই চারজন রোগী করোনা আক্রান্ত কি না তা পরীক্ষার করা হবে।

মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত সংবাদ সম্মেরনে এ বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ সময় কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ জানান, আইসোলেশনে থাকা চারজন রোগির মধ্যে তিনজন নতুন রোগী। এদের একজন রাজশাহী নগরীর। একজন এসেছেন রাজশাহীর চারঘাট থেকে। অন্যজন এসেছেন পাবনা থেকে। তাদের প্রত্যেকে আলাদা আলাদা করে রাখা হচ্ছে। এদের বয়স ৩৫, ২৫ ও ১৮। প্রত্যেকেই মাস্ক পরে আছে। আর চিকিৎসকরা সুরক্ষিত পোশাক পড়ছেন।

রামেক হাসপাতালের এই চিকিৎসক আরো জানান, আইসোলেশনে থাকা চারজনের ব্যক্তির মাঝে একজন এখন প্রচন্ড আতঙ্কিত আছে। বর্তমানে তাকে কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। ওষুধও দিতে হচ্ছে। আতঙ্কের মাঝামাঝি জায়গায় থাকলে ভালো। আতঙ্ক না থাকলে মানুষ অসচেতন থাকে, তখন ভাইরাস ছড়াতে পারে। কিন্তু আতঙ্ক বেশি হলে রোগিগুলো সমস্যায় পড়েন। এতো তীব্র আতঙ্ক আমাদের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

তিনি জানান, মঙ্গলবারের মধ্যেই এই চারজন রোগির নমুনা পরীক্ষা করা হবে। কেউ যদি আক্রান্ত না হয় তবে তাকে কখনোই সন্দেহভাজন রোগির সঙ্গে রাখা হবে না। আমরা বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতাল অধিগ্রহণের চেষ্টা করছি। এটা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কেউ শনাক্ত হলে তাকে প্রাইভেট হাসপাতালেই রাখা হবে। সেখানে কারও অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে গেলে তাকে নিয়ে আসবো রামেক হাসপাতালের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে। এখানে কেউ সংকটাপন্ন হয়ে গেলে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হবে।

তিনি আরো জানান, চিকিৎসকদেরও টিম করা হয়েছে। একজন চিকিৎসক টানা সেবা দিতে পারবেন না। আক্রান্ত রোগির সাতদিন চিকিৎসা করার পর তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হবে। চিকিৎসক-নার্সসহ সংশ্লিষ্ঠ সবার বিষয় বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এই মুহুর্তে ১৫টি ভেন্টিলেটর রয়েছে। আরও পাঁচটি আসতে পারে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌসসহ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা।