কুড়িগ্রামের রাজার হাটে এাণ নিয়ে কারচুপি

রাজার হাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রাজার হাট উপজেলার ঘরিয়াল ডাংগা ইউনিয়নে বরাদ্দ কৃত এাণ নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।

রাজার হাটে ঘড়িয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে বরাদ্দকৃত সরকারের দেয়া ত্রান বিতরণ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বাদের বিরূদ্ধে কারচুপির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জন প্রতিনিধির কারচুপিতে বাদ পড়েছে ইউনিয়নের অধিকাংশ হতদরিদ্র পরিবার। এমন ঘটনার শিকার হয়েছে অনেকজন।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে লকডাউনে থাকা রেজিয়া বেগমের পরিবার বর্তমানে সংকটময় জীবনযাপন করেছেন।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয় এলা কেউ নেয় মোক কামোত রোজী রোজগার বন্ধ হওয়ায় গতকাল রাইতোত একনা বাসি ভাত নুন দিয়ে খায় য়া মুই শবেবরাতের রোজা রাখচোং। ইফতার করে যে মুই কি খাইম মোর ঘরত কিছু খাবার নাই।

এমন হ্রদয় নিংড়ানো মায়া জড়ানো কথা বলে জননী ডুকে পড়লেন নিজ কুটিরে।

ঘটনাটি ৯ ই এপ্রিল বিকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউপির কিসামত গোবদা গ্রামে মৃত সওয়াব আলীর স্ত্রী রেজিয়া বেগম(৬৮) এর পরিবার। সংসার জীবনে তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জননী। স্বামী মারা গেয়েছে কয়েক বছর আগেই দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে, ছেলের বৌ ও নাতী মিলে মাত্র ২ শতক জমিতে দুটি ঘড় মিলে একটি পরিবার। পাশাপাশি আরও কয়েকটি পরিবারের একই চিত্র ঐ এলাকার।

ইতি মধ্যে কথা হয় প্রতিবেশী রমজান আলী ও শফিকুল ইসলাম এর সাথে। তারা বলেন, ছেলে রেজাউল ইসলাম রংপুর শহরে ভাড়ায় রিকশা চালিয়ে কোনরকমে সংসারের খরচ চালাতেন কিন্তু ভাইরাসে সংক্রমণ প্রতিরোধে রিকশা চালানো বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে তারা অনেক কষ্টে জীবন যাপন করতেছে।

করোনার ভাইরাস মহামারীতে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ হচ্ছে এখন মানবতার। করোনার যাতা কলে লন্ড-ভন্ড হচ্ছে মানুষ।

ছেলে রেজাউল জানান, কামাই রোজগার বন্ধ হওয়ায় ঘড়ে খাবার চাল নেই। একজনের কাছে ত্রিশ কেজি চাল গতকাল ধার নিয়েছি বাজার করবো হাতে টাকা নাই। সরকারি কোন বরাদ্দ পেলে হয়তো কোনো রকম চলতে পাড়তাম।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন