কোভিট-১৯ সন্দেহে সুুুবর্ণচরে এক অটোরিক্সা চালকের বাড়ি সহ আশে পাশের ৩ বাড়ি লকডাউন

মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, নোয়াখালীঃ কোভিড-১৯ সন্দেহে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নে এক ৯ নং ওয়ার্ডে এক অটোরিক্সা চালকের বাড়ি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করেছে উপজেলা প্রশাসন সুবর্ণচর।

একই সাথে ওই বাড়িসহ আশপাশের মোট ৩ টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে অটোচালকের পরিবারের চার সদস্যসহ ৩টি বাড়ির লোকজন।

রবিবার ২৯ মার্চ দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট এএসএম ইবনুল হাসান জনসাধারনের নিরাপত্তার স্বার্থে।
৩টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম এএসএম ইবনুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একজন অটোরিকশাচালক কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এমন সংবাদে দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে উপসর্গগুলো দেখে করোনা সন্দেহে বাড়িটি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত এবং তার আশপাশের লোকজন কে সর্তক থাকার জন্য আরও দুইটি বাড়িসহ মোট তিনটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌফিকুল হাসান জানান, গত ২ দিন আগে জ্বর নিয়ে ঐ অটোরিক্সাচালক রাতে স্থানীয় একটি চেম্বারে ডা. সাব্বিরের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি বিগত ছয় দিন যাবত সর্দি, কাশি ও জ্বরে ভুগছিলেন বলে চিকিৎসককে জানান। পরে ডাক্তার সাব্বির তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে বললে তিনি হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতেই থাকেন।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যে মতে রবিবার দুপুরে উপজেলা ও স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা তার বাড়িতে যান। সেখান থেকে ঐ ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বিকালে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইপিএইচ) চট্টগ্রামে পাঠাবে।

আগামী তিন দিন পর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেলে তার শরীরে করোনা আছে কিনা জানা যাবে।

এসময় আরো উপস্হিত ছিলেন ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাসার মন্জু এবং ৯ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আবুল খায়ের সহ স্হানীয় গন্যমান্য বৃক্তিবর্গবৃন্দ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী বলেন, আমরা দোয়া করি আল্লাহতায়ালা যেন এই গরিব লোকের শরীরে কোরোনা ভাইরাস নামক এই রোগের কোন উপসর্গ খুজে না পায় ডাক্তার সাহেবেরা। নমুনা রিপোর্ট যেন নেগেটিভ আসে আমরা সেই দোয়া করি আল্লাহর কাছে।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন