ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

গাড়ি না পেয়ে নৌকায় বাড়ি ফেরার চেষ্টা: নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ ৩

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ১০:১৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০
  • / 16

কামরান পারভেজ ইভান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে নৌকাডুবিতে ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এই ঘটনায় আরো ৩ জন নিখোঁজ।

১৭ এপ্রিল (শুক্রবার) দুপুর ১২ টায় এই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে লকডাউন থাকায় রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন পেশার শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় তারা গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়। রাস্তায় যানবাহন না পেয়ে তারা বিভিন্নভাবে ভেঙে-ভেঙে টাঙ্গাইল সীমান্তে যমুনা নদী পর্যন্ত আসে। যানবাহন না থাকায় বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু দিয়ে নদী পার হতে ব্যর্থ হয়ে তারা নৌকাযোগে রওনা হয়। মাঝ নদীতে নৌ পুলিশ টহল দেখে যাত্রীবাহী নৌকাটি অন্যদিক দিয়ে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করে। নৌকাটি সেতুর ১৪নং পিলারের কাছাকাছি আসলে আকস্মিকভাবে দমকা বাতাসে ডুবে যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও পুলিশ নৌকায় থাকা ১৪ যাত্রীর মধ্যে ১১জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ৩ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ।

ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম দৈনিক স্বতঃকন্ঠকে জানান, ১৪ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি যমুনা নদী পাড় হচ্ছিলো। নৌকাটি বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৪ নম্বর পিলারের কাছে হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে ডুবে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৪ জনের মধ্যে ১১জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হই। এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকৃতরা সবাই শ্রমিক। তারা সবাই গ্রামের বাড়ি চলে গেছে। তাদের সবার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলায়।

তবে নিখোঁজ তিনজনের ব্যাপারে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

গাড়ি না পেয়ে নৌকায় বাড়ি ফেরার চেষ্টা: নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ ৩

প্রকাশিত সময় ১০:১৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

কামরান পারভেজ ইভান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে নৌকাডুবিতে ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এই ঘটনায় আরো ৩ জন নিখোঁজ।

১৭ এপ্রিল (শুক্রবার) দুপুর ১২ টায় এই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে লকডাউন থাকায় রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন পেশার শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় তারা গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়। রাস্তায় যানবাহন না পেয়ে তারা বিভিন্নভাবে ভেঙে-ভেঙে টাঙ্গাইল সীমান্তে যমুনা নদী পর্যন্ত আসে। যানবাহন না থাকায় বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু দিয়ে নদী পার হতে ব্যর্থ হয়ে তারা নৌকাযোগে রওনা হয়। মাঝ নদীতে নৌ পুলিশ টহল দেখে যাত্রীবাহী নৌকাটি অন্যদিক দিয়ে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করে। নৌকাটি সেতুর ১৪নং পিলারের কাছাকাছি আসলে আকস্মিকভাবে দমকা বাতাসে ডুবে যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও পুলিশ নৌকায় থাকা ১৪ যাত্রীর মধ্যে ১১জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ৩ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ।

ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম দৈনিক স্বতঃকন্ঠকে জানান, ১৪ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি যমুনা নদী পাড় হচ্ছিলো। নৌকাটি বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৪ নম্বর পিলারের কাছে হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে ডুবে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৪ জনের মধ্যে ১১জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হই। এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকৃতরা সবাই শ্রমিক। তারা সবাই গ্রামের বাড়ি চলে গেছে। তাদের সবার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলায়।

তবে নিখোঁজ তিনজনের ব্যাপারে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।