ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

জাবিয়ান নগর বাশখালী সুইজের নামে ব্যাটারী ও গ্যাস চালিত গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ (ভিডিওসহ)

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০১:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০
  • / 13

মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, নোয়াখালীঃ নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলাতে ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের বাশখালী সুইজ বর্তমানে (জাবিয়ান নগর) নামক স্হানে সুবর্ণচর উপজেলা ব্যাটারী ও গ্যাস চালিত অটোরিক্সা মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতির, যার রেজিঃ নং-৭, মোকামঃ বাশখালী সুইজ (জাবিয়ান নগর স্ট্যান্ড) নামে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ পাওয়া যায় অটোরিক্সা মালিকদের নিকট হতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাকিব (১৮) পিতাঃ অজ্ঞাত যুকব প্রকাশ্য অটোরিক্সা ও গ্যাস চালিত চলন্ত গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্হিত সাংবাদিক ইউনুছ শিকদার ও মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন পরিচয় দিয়ে অভিযুক্ত রাকিব কে প্রশ্ন করেন যে, এই টাকা, রশিদ কিসের? কি জন্য চাঁদা নিচ্ছেন আপনি? রাকিক বলেন গাড়ির দৈনিক জি,পি এটা। কার নির্দেশক্রমে এই চাঁদা আদায় করতেছেন? সে বলেন এই সংঘটনের সভাপতির নির্দেশক্রমে। সভাপতি কে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, সে বলেন উক্ত সংঘটনের সভাপতি মুজাম।

উপস্হিত স্হলে মুজাম (৩০) পিতাঃ মফিজুল হক, গ্রাম দক্ষিণ চরমজিদ, ১৩ নং সি,ভি, ওয়ার্ড নং ০৭, ০৭ নং পূর্ব চরবাটা, সুবর্ণচর, নোয়াখালীর বাসিন্দা। রাকিব কে পরিচয় জানতে চাইলে, সে অটোরিক্সা চালক বলে নিশ্চিত করেন স্হানীয় ইউপি সদস্য আহসান উল্ল্যাহ মিয়ন মেম্বার।

মিয়ম মেম্বারের নিকট এই চাঁদাবাজ, ও সংঘটনের কমিটির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়, কোন বৈধ কাগজ পত্র আছে কি না, তিনি বলেন আছে, না থাকলে কিভাবে জি,পি তুলছে দেখুন আপনারা। আপনারা বসেন, তাদের কাগজ পত্র দেখেন, আপনাদের সামনে হস্তান্তর করবে। কিছু সময় পরে, বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়, হারিছ চৌধুরী বাজার, সুবর্ণচর, নোয়াখালী শাখার এক কপি কাগজ দেখান, তারা ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগের। যেই সংঘটনের প্রতিষ্টাতা জননেএী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ এর সুবর্ণচর উপজেলার সভাপতি খাঁজা কাশেম। চাঁদা আদায়ের বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল, সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়, নোয়াখালী সাথে আলোচনা করলে তিনি বলেন, আমি ৭ নং পূর্ব চরবাটা ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি আগামি ০১ বছরের জন্য অনুমোদন নিয়েছে এই বিষয়ে অবগত আছি। চাঁদা তারা কি জন্য, কার হুকুমে আদায় করছে আমার জানা নেই। কোন সংঘটন চাঁদা আদায় করতে হলে, সেই বিষয়ে জেলা কমিটি বিষয় বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাকের (৩৫) নিকট জানতে চাওয়া হয় উক্ত সংঘটনের চাঁদা আদায়ের কোন নিয়ম, বা বৈধ সংঘটনের গঠনতন্ত্র আছে কি না? তিনি বলেন না। যারা এই সংঘটনের নাম ব্যাবহার করে, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করেন তাদের আমাদের সংগঠনে স্হান নেই। এই সংঘটনের গঠনতন্ত্র, অনুযায়ী, কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

বিএনপি ও বাংলাদেশ জামাত ইসলামের হরতাল, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, দেশে নৈরাজ্য, অরাজগতা সৃষ্টি থেকে গরিব চালকদের গাড়ী চালিয়ে ডাল, ভাত মুখে তুলে দিতে এই সংঘটন তৈরী করেন জননেএী শেখ হাসিনা। চাঁদাবাজি করার জন্য না, এই সংঘটন। চালকের নিরাপত্তা, সুখ দুঃখ দেখার জন্য সৃষ্টি।

সুইজ গেলের চাঁদার বিষয়ে ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল বাশার মন্জুর কাছে জানতে চাওয়া হয় এই বিষয়ে আপনি কিছু জানেন কি না, তিনি সাংবাদিক কে বলেন না। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাস্তানের কোন স্হান আমার ইউনিয়নে নেই, হবেও না।

অটোরিক্সা চালকদের নিকট থেকে জানা যায় স্হানীয়, মুজাম(৩০) পিতাঃ মফিজুল হক স্হানীয় যুবলীগ নেতা নিজের স্বার্থ উদ্ধারে এই সংঘটনের কমিটির অনুমোদন নেন।এদের সহযোগী হানিফ (৩০) পিতাঃ হারিছ আহম্মদ, হাছান(২৭) পিতাঃ মাহদুল হক মাদু, আবুল খায়ের দুলাল (৩২) পিতাঃ আবুল হোসে্‌ মিকারসাহাব উদ্দিন (৩৪) পিতাঃ অজ্ঞাত, ছালা উদ্দিন (২৮) পিতাঃ অজ্ঞাত শরিফ (৩০) পিতাঃ অজ্ঞাত সোহেল (৩২) পিতাঃ হোরন ব্যাপারী, রাজিব (29) মহি উদ্দিন সহ প্রমুখ।

অভিযুক্ত যুবকদের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, এরা আওয়ামীলীগ করে জানি, কিন্তুু চাঁদাবাজি করে, এই বিষয়ে আপনার থেকে মাত্র জানলাম। এই বিষয়ে আমি যথাযথ ব্যাবস্হা গ্রহণ করবো আমার তরফ থেকে।

সুবর্ণচর উপজেলা অটোরিক্সা মালিক চালক সমিতির সভাপতি আতিক উল্লাহ সুজন কাছে এই চাঁদা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন, এটা অনিয়ম, চাঁদাবাজি, সাধারণ অটোরিক্সা চালকের উপর জুলুম ছাড়া আর কিছু না। আমার জানামতে ২ নং চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ ভূঞারহাট বাজারে একটি সংঘটন আছে, সকল অটোরিক্সা চালক ও মালিকগণ তারা সংঘটন তৈরী করেছে তাদের ভিবিন্ন, সুযোগ, অসুবিধা দেখার জন্য। তাই ভূঞারহাট শাখাতে এখানে কিছু টাকা প্রতি দিন দেয়। স্ব ইচ্ছাতেই দেয় ইহা সবাই জানেন।

কিন্তু একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল তাদের নিজেদের পকেট ভারী করতে, অসাধু উদ্দেশ্য আদায়ে, বাশখালী সুইজে একটি সংঘটন তৈরী করে চাঁদা আদায় করছেন, শুনেছি। যা অন্যায়, প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। এক কিলোমিটার মাঝে ২টি সংঘটন কনো দিন ও চলতে পারে না।

সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এ,এইচ,এম খাইরুল আনম চৌধুরীর সেলিম সাহেবের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, বার বার ফোন বন্দ থাকার কারণে কোন মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তুু উনার ব্যাক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি বলেন যে, উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের নাতীর নামে একটা স্হানের নাম করণ করা হয়েছে শুনেছি, চাঁদা আদায়ের বিষয়ে আমার জানা নেই। কারা উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের নাতীর নাম ব্যাবহার করে চাঁদা আদায় করেছে, আমি এই বিষয়ে মাত্র জানলাম আপনাদের থেকে, চেয়ারম্যান মহোদয়ের কাছে বিষয়টি আমি জানাবো।

এই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণচর উপজেলা অফিসার ইনসার্চ শাহেদ উদ্দিন বলেন, এই বিষয়ে আমার জানা নেই, আপনাদের মাধ্যামে জানতে পারলাম, বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখবো এবং সত্যতা প্রমাণ পেলে দোষীদের আইন অনুযায়ী ব্যাবস্হা গ্রহণ করবো। চাঁদা আদায়ের বৈধতা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাঁদা আদায় বলতে তো কোন বিষয়ে বৈধতা নেই আইনে। সব ধরনের চাঁদা অবৈধ।

এই রকম আরও টপিক

জাবিয়ান নগর বাশখালী সুইজের নামে ব্যাটারী ও গ্যাস চালিত গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ (ভিডিওসহ)

প্রকাশিত সময় ০১:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০

মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, নোয়াখালীঃ নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলাতে ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের বাশখালী সুইজ বর্তমানে (জাবিয়ান নগর) নামক স্হানে সুবর্ণচর উপজেলা ব্যাটারী ও গ্যাস চালিত অটোরিক্সা মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতির, যার রেজিঃ নং-৭, মোকামঃ বাশখালী সুইজ (জাবিয়ান নগর স্ট্যান্ড) নামে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ পাওয়া যায় অটোরিক্সা মালিকদের নিকট হতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাকিব (১৮) পিতাঃ অজ্ঞাত যুকব প্রকাশ্য অটোরিক্সা ও গ্যাস চালিত চলন্ত গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্হিত সাংবাদিক ইউনুছ শিকদার ও মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন পরিচয় দিয়ে অভিযুক্ত রাকিব কে প্রশ্ন করেন যে, এই টাকা, রশিদ কিসের? কি জন্য চাঁদা নিচ্ছেন আপনি? রাকিক বলেন গাড়ির দৈনিক জি,পি এটা। কার নির্দেশক্রমে এই চাঁদা আদায় করতেছেন? সে বলেন এই সংঘটনের সভাপতির নির্দেশক্রমে। সভাপতি কে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, সে বলেন উক্ত সংঘটনের সভাপতি মুজাম।

উপস্হিত স্হলে মুজাম (৩০) পিতাঃ মফিজুল হক, গ্রাম দক্ষিণ চরমজিদ, ১৩ নং সি,ভি, ওয়ার্ড নং ০৭, ০৭ নং পূর্ব চরবাটা, সুবর্ণচর, নোয়াখালীর বাসিন্দা। রাকিব কে পরিচয় জানতে চাইলে, সে অটোরিক্সা চালক বলে নিশ্চিত করেন স্হানীয় ইউপি সদস্য আহসান উল্ল্যাহ মিয়ন মেম্বার।

মিয়ম মেম্বারের নিকট এই চাঁদাবাজ, ও সংঘটনের কমিটির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়, কোন বৈধ কাগজ পত্র আছে কি না, তিনি বলেন আছে, না থাকলে কিভাবে জি,পি তুলছে দেখুন আপনারা। আপনারা বসেন, তাদের কাগজ পত্র দেখেন, আপনাদের সামনে হস্তান্তর করবে। কিছু সময় পরে, বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়, হারিছ চৌধুরী বাজার, সুবর্ণচর, নোয়াখালী শাখার এক কপি কাগজ দেখান, তারা ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগের। যেই সংঘটনের প্রতিষ্টাতা জননেএী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ এর সুবর্ণচর উপজেলার সভাপতি খাঁজা কাশেম। চাঁদা আদায়ের বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল, সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়, নোয়াখালী সাথে আলোচনা করলে তিনি বলেন, আমি ৭ নং পূর্ব চরবাটা ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি আগামি ০১ বছরের জন্য অনুমোদন নিয়েছে এই বিষয়ে অবগত আছি। চাঁদা তারা কি জন্য, কার হুকুমে আদায় করছে আমার জানা নেই। কোন সংঘটন চাঁদা আদায় করতে হলে, সেই বিষয়ে জেলা কমিটি বিষয় বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাকের (৩৫) নিকট জানতে চাওয়া হয় উক্ত সংঘটনের চাঁদা আদায়ের কোন নিয়ম, বা বৈধ সংঘটনের গঠনতন্ত্র আছে কি না? তিনি বলেন না। যারা এই সংঘটনের নাম ব্যাবহার করে, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করেন তাদের আমাদের সংগঠনে স্হান নেই। এই সংঘটনের গঠনতন্ত্র, অনুযায়ী, কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

বিএনপি ও বাংলাদেশ জামাত ইসলামের হরতাল, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, দেশে নৈরাজ্য, অরাজগতা সৃষ্টি থেকে গরিব চালকদের গাড়ী চালিয়ে ডাল, ভাত মুখে তুলে দিতে এই সংঘটন তৈরী করেন জননেএী শেখ হাসিনা। চাঁদাবাজি করার জন্য না, এই সংঘটন। চালকের নিরাপত্তা, সুখ দুঃখ দেখার জন্য সৃষ্টি।

সুইজ গেলের চাঁদার বিষয়ে ৭ নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল বাশার মন্জুর কাছে জানতে চাওয়া হয় এই বিষয়ে আপনি কিছু জানেন কি না, তিনি সাংবাদিক কে বলেন না। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাস্তানের কোন স্হান আমার ইউনিয়নে নেই, হবেও না।

অটোরিক্সা চালকদের নিকট থেকে জানা যায় স্হানীয়, মুজাম(৩০) পিতাঃ মফিজুল হক স্হানীয় যুবলীগ নেতা নিজের স্বার্থ উদ্ধারে এই সংঘটনের কমিটির অনুমোদন নেন।এদের সহযোগী হানিফ (৩০) পিতাঃ হারিছ আহম্মদ, হাছান(২৭) পিতাঃ মাহদুল হক মাদু, আবুল খায়ের দুলাল (৩২) পিতাঃ আবুল হোসে্‌ মিকারসাহাব উদ্দিন (৩৪) পিতাঃ অজ্ঞাত, ছালা উদ্দিন (২৮) পিতাঃ অজ্ঞাত শরিফ (৩০) পিতাঃ অজ্ঞাত সোহেল (৩২) পিতাঃ হোরন ব্যাপারী, রাজিব (29) মহি উদ্দিন সহ প্রমুখ।

অভিযুক্ত যুবকদের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, এরা আওয়ামীলীগ করে জানি, কিন্তুু চাঁদাবাজি করে, এই বিষয়ে আপনার থেকে মাত্র জানলাম। এই বিষয়ে আমি যথাযথ ব্যাবস্হা গ্রহণ করবো আমার তরফ থেকে।

সুবর্ণচর উপজেলা অটোরিক্সা মালিক চালক সমিতির সভাপতি আতিক উল্লাহ সুজন কাছে এই চাঁদা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন, এটা অনিয়ম, চাঁদাবাজি, সাধারণ অটোরিক্সা চালকের উপর জুলুম ছাড়া আর কিছু না। আমার জানামতে ২ নং চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ ভূঞারহাট বাজারে একটি সংঘটন আছে, সকল অটোরিক্সা চালক ও মালিকগণ তারা সংঘটন তৈরী করেছে তাদের ভিবিন্ন, সুযোগ, অসুবিধা দেখার জন্য। তাই ভূঞারহাট শাখাতে এখানে কিছু টাকা প্রতি দিন দেয়। স্ব ইচ্ছাতেই দেয় ইহা সবাই জানেন।

কিন্তু একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল তাদের নিজেদের পকেট ভারী করতে, অসাধু উদ্দেশ্য আদায়ে, বাশখালী সুইজে একটি সংঘটন তৈরী করে চাঁদা আদায় করছেন, শুনেছি। যা অন্যায়, প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। এক কিলোমিটার মাঝে ২টি সংঘটন কনো দিন ও চলতে পারে না।

সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এ,এইচ,এম খাইরুল আনম চৌধুরীর সেলিম সাহেবের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, বার বার ফোন বন্দ থাকার কারণে কোন মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তুু উনার ব্যাক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি বলেন যে, উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের নাতীর নামে একটা স্হানের নাম করণ করা হয়েছে শুনেছি, চাঁদা আদায়ের বিষয়ে আমার জানা নেই। কারা উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের নাতীর নাম ব্যাবহার করে চাঁদা আদায় করেছে, আমি এই বিষয়ে মাত্র জানলাম আপনাদের থেকে, চেয়ারম্যান মহোদয়ের কাছে বিষয়টি আমি জানাবো।

এই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণচর উপজেলা অফিসার ইনসার্চ শাহেদ উদ্দিন বলেন, এই বিষয়ে আমার জানা নেই, আপনাদের মাধ্যামে জানতে পারলাম, বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখবো এবং সত্যতা প্রমাণ পেলে দোষীদের আইন অনুযায়ী ব্যাবস্হা গ্রহণ করবো। চাঁদা আদায়ের বৈধতা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাঁদা আদায় বলতে তো কোন বিষয়ে বৈধতা নেই আইনে। সব ধরনের চাঁদা অবৈধ।