জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্রোতের মত কর্মস্থলে ফিরছে শ্রমজীবী মানুষ

খায়রুল খন্দকার, টাঙ্গাইলঃ করোনা ভাইরাসকে উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে লক্ষ লক্ষ মানুষ গার্মেন্টস খোলার ঘোষণায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর জনস্রোতের মত শ্রমিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে পৌঁছায় প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ ঝুলে, কেউ বসে, কেউবা পায়ে হেঁটে, কেউ ইজিবাইকে করে গন্তব্য স্থানে পৌঁছে। জ্বর-ঠান্ডা অসুস্থতা মাথায় নিয়ে, কেউ পরিবার-পরিজন সন্তানাদি নিয়ে, কেউ বাচ্চা কোলে নিয়ে, চৈত্রের অগ্নিঝরা রোদের মধ্যে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর জন্য ছুটছে । করোনায় যেখানে পৃথিবীর স্থবির। সেখানে জীবনের তাগিদে চাকরি বাঁচাতে তারা ছুটছে এসব কর্মজীবী মানুষ।

কল্পনা নামে এক গার্মেন্টস কর্মী বলেন, ঋতু পরিবর্তনে আমার এলার্জিজনিত জ্বর ঠান্ডায় অসুস্থ আমি। বাড়ি এসে অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করতে জমানো টাকা শেষ হয়ে গেছে। ধার-দেনা করে বাধ্য হয়ে চাকরি হারানোর ভয়ে কমস্থলে ফিরছি ।

রাস্তায় বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের টহল এর মধ্যেই পায়ে হেঁটে কিংবা ইজিবাইকে করে অনেকেই দেখা গেছে ঢাকার ফিরতে। ঢাকামুখী এ জনস্রোত ঠেকাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।

শরিফা নামে এক গার্মেন্টস কর্মী বলেন, ভূঞাপুর থেকে চন্দ্রা আসতে স্বাভাবিক ভাড়ার থেকে কয়েক গুণ বেশি টাকা লাগছে।

এরমধ্যে অবশ্য মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন চালকদের জরিমানা করতেও দেখা গেছে।

কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, একদিকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আমাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে তৈরি পোশাক কারখানা খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমরা নিজেরাও বুঝে উঠতে পারছিনা আমরা কি করব?

এদিকে পুলিশের তৎপরতার কারণে ঢাকামূখী বহু মানুষ দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন আটকে পড়া মানুষ।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন