টাঙ্গাইলে উজানে ঢল ও ভারি বর্ষণে যমুনার পানি বিপৎসীমার ওপরে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে উজানের ঢল ও ভারি বর্ষণের ফলে ১০ সেন্টিমিটার পানি‌ বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭আগস্ট) যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে অভ্যন্তরীণ  ধলেশ্বরী, লৌহজং, বংশাই ও ঝিনাই নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি এই সময়ে বৃদ্ধি ফলে বন্যা পরিস্থিতি। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ‌(২৭ আগষ্ট) নাগাদ নদীর পানির সমতল বিপৎসীমা অতিক্রম করে জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া , খানুরবাড়ী , চিতুলিয়াপাড়া গ্রামের পানি প্রবেশ করছে। শত শত পরিবার পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে । জেলার বন্যা পরিস্থিতিও অবনতি হতে পারে। বিভিন্ন এলাকা ভাঙছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, দুই দিন স্থিতিশীল থাকার পর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের ফলে এ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে যমুনা নদীর চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল অভ্যন্তরীণ নদী তীরবর্তী এলকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে।

যমুনা ছাড়াও ধলেশ্বরী নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, উজানে ঢল ও ভারি বর্ষণে ফলে যমুনা নদীসহ ধলেশ্বরী, লৌহজং,বংশাই নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ‌তে যমুনা নদীর চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল অভ্যন্তরীণ নদীতীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আহসানুল বাসার জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হেক্টর আমন বন্যায় তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধির ফ‌লে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, ভূঞাপুর, মির্জাপুর,বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার  নদীতীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

ত‌লি‌য়ে গেছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও ভাঙনও দেখা দি‌য়ে‌ছে। পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি হবে বলে জানিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি বিভাগ । পানি বন্দি এসব মানুষের ভোগান্তি বাড়ছেই।

আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়াতে গেটে’র সামসেট ভেঙ্গে চাঁপা পড়ে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন