ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

নির্বাচনে হেরে বিএনপি’র আচরণ ‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’র মতোঃ তথ্যমন্ত্রী

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০১:০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 15

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘বিএনপি সবসময় প্রযুক্তিকে ভয় পায়। আর যখনই নির্বাচনে হেরে যায় তখন তাদের আচরণ ‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’র মতো।

বুধবার বিএনপি সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে করা অভিযোগও সেরকম ছিল।’ তিনি বিএনপিকে এ ধরনের আজগুবি অভিযোগ উপস্থাপন না করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের নেতাকর্মীরা কেন আপনাদের কাছ থেকে সরে গেছেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন ভোটের দিন মাঠে ছিল না তা বিশ্লেষণ করুন। তাহলে আপনাদের দল উপকৃত হবে।’

আজ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।

বিএনপি সবসময় প্রযুক্তিকে ভয় পায় জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে যখন প্রথম টেলিভিশন আসে তখন অনেকে বলেছে টেলিভিশন দেখলে ঈমান চলে যাবে। আবার যখন দেশে প্রথম মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু হয় তখনও গ্রামে গঞ্জে অনেকে প্রচারণা করেছে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এখন কিন্ত পবিত্র হজ্বের অনুষ্ঠান এবং বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতও টেলিভিশনে লাইভ দেখানো হয়। বিএনপির অবস্থাও হয়েছে সেরকম। ইভিএম মেশিনেও ভোট দেওয়া যাবে না বলে বিএনপি প্রচারণা চালিয়েছে।’

‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরপর তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় মূলত দু’টি কারণে এসেছে’ উল্লেখ করে হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘প্রথমত দলের নেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সংকট মোকাবিলা করার দক্ষতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার ক্ষমতা। একই সাথে সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও ধৈর্য সহকারে সেই প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে তাঁর অর্জিত অসাধারণ শক্তি। আরেকটি কারণ হচ্ছে আমাদের দলের ঐক্যবদ্ধতা।’

‘আজকে যে সরকার সেটা আওয়ামী লীগের সরকার, সরকারের আওয়ামী লীগ নয়, আমাদের মূল ঠিকানা দল’ স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা নির্বাচিত এমপি, মন্ত্রী থেকে শুরু করে ইউপি চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবার মূল ঠিকানা হচ্ছে দল। সুতরাং দায়িত্ব পালন করার সময় দলকে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনও দলের প্রতীকে হচ্ছে।

অনেক সময় দেখা যায় দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় কর্মীরা অনেকের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। অনেকে আবার নিজস্ব বলয় তৈরি করেন। এটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। নিজস্ব বলয় তৈরি করলে দেখা যাবে সংকটের সময় সেই বলয়ের লোকজন থাকবে না। কারণ মৌচাকে যখন মধু থাকে তখন অনেক লোক ঘুর-ঘুর করে। যখন মধু থাকে না তখন কাউকে আর পাওয়া যায় না।’

প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুন নেছা তালুকদার, প্রফেসর মনছুর রহমান এমপি, সাবেক এমপি আকতার জাহান, কেন্দ্রীয় নেতা নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, আয়েন উদ্দিন এমপি, এডভোকেট আদিবা আনজুম মিতা এমপি, এনামুল হক এমপি প্রমুখ। বিকেলে একই স্থানে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ-সহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

নির্বাচনে হেরে বিএনপি’র আচরণ ‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’র মতোঃ তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় ০১:০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘বিএনপি সবসময় প্রযুক্তিকে ভয় পায়। আর যখনই নির্বাচনে হেরে যায় তখন তাদের আচরণ ‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’র মতো।

বুধবার বিএনপি সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে করা অভিযোগও সেরকম ছিল।’ তিনি বিএনপিকে এ ধরনের আজগুবি অভিযোগ উপস্থাপন না করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের নেতাকর্মীরা কেন আপনাদের কাছ থেকে সরে গেছেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন ভোটের দিন মাঠে ছিল না তা বিশ্লেষণ করুন। তাহলে আপনাদের দল উপকৃত হবে।’

আজ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।

বিএনপি সবসময় প্রযুক্তিকে ভয় পায় জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে যখন প্রথম টেলিভিশন আসে তখন অনেকে বলেছে টেলিভিশন দেখলে ঈমান চলে যাবে। আবার যখন দেশে প্রথম মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু হয় তখনও গ্রামে গঞ্জে অনেকে প্রচারণা করেছে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এখন কিন্ত পবিত্র হজ্বের অনুষ্ঠান এবং বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতও টেলিভিশনে লাইভ দেখানো হয়। বিএনপির অবস্থাও হয়েছে সেরকম। ইভিএম মেশিনেও ভোট দেওয়া যাবে না বলে বিএনপি প্রচারণা চালিয়েছে।’

‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরপর তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় মূলত দু’টি কারণে এসেছে’ উল্লেখ করে হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘প্রথমত দলের নেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সংকট মোকাবিলা করার দক্ষতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার ক্ষমতা। একই সাথে সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও ধৈর্য সহকারে সেই প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে তাঁর অর্জিত অসাধারণ শক্তি। আরেকটি কারণ হচ্ছে আমাদের দলের ঐক্যবদ্ধতা।’

‘আজকে যে সরকার সেটা আওয়ামী লীগের সরকার, সরকারের আওয়ামী লীগ নয়, আমাদের মূল ঠিকানা দল’ স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা নির্বাচিত এমপি, মন্ত্রী থেকে শুরু করে ইউপি চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবার মূল ঠিকানা হচ্ছে দল। সুতরাং দায়িত্ব পালন করার সময় দলকে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনও দলের প্রতীকে হচ্ছে।

অনেক সময় দেখা যায় দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় কর্মীরা অনেকের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। অনেকে আবার নিজস্ব বলয় তৈরি করেন। এটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। নিজস্ব বলয় তৈরি করলে দেখা যাবে সংকটের সময় সেই বলয়ের লোকজন থাকবে না। কারণ মৌচাকে যখন মধু থাকে তখন অনেক লোক ঘুর-ঘুর করে। যখন মধু থাকে না তখন কাউকে আর পাওয়া যায় না।’

প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুন নেছা তালুকদার, প্রফেসর মনছুর রহমান এমপি, সাবেক এমপি আকতার জাহান, কেন্দ্রীয় নেতা নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, আয়েন উদ্দিন এমপি, এডভোকেট আদিবা আনজুম মিতা এমপি, এনামুল হক এমপি প্রমুখ। বিকেলে একই স্থানে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ-সহ কেন্দ্রীয় নেতারা।