ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন জামিনে মুক্ত।

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ১২:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০
  • / 11

নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন আজ দুপুর ১১:০০  ঘটিকার সময়  নোয়াখালী জেলা দায়রা জর্জ কোর্ট  থেকে জামিন লাভ করেন।

গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানান যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১)৩০ ধারাদ্বয় দন্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৪৩/৫০৬(২) ধারার মামলার অভিযোগ  বিজ্ঞ আদালত কৃর্তৃক গৃহীত হওয়ায় জনস্বার্থে তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে উচিত নয় বলে সরকার মনে করেন।

তাই চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন মামলা হওয়ার কারনে জনগনের নায্য অধিকার আদায়ে, জনগনের অধিকার, জনসেবা প্রদানের লক্ষে, রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল  হয়ে গত ০১/০১/২০২০ ইং বিজ্ঞ আদালতে উপস্হিত হয়ে আত্নসমর্পন করে আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করেন।

কিন্তুু বিজ্ঞ আদালত জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে চেয়ারম্যান মহোদয়কে কারাগারে প্রেরন করার নির্দেশ দেন।

উক্ত চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন আদালতের প্রতি সন্মান রেখে, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে আজ জামিনে মুক্তি লাভ করেন।

২ নং চরবাটা ইউনিয়নের শত শত নেতা কর্মীরা সকাল ১০ ঘটিকা হতে আদালত চত্বরে  অপেক্ষায় থাকে, কখন প্রিয় চেয়ারম্যানের মোজাম্মেল হোসেনের জামিন হবে তার জন্য।

আওয়ামিলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের চেয়ারম্যান কে এক নজর দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে, আদালত চত্বরে চেয়ারম্যান কে ফুলের মালা দিয়ে বরন করে নেন নেতা কর্মীরা ও চরবাটার জনসাধারণ।

সেই সময় আওয়ামিলীগ নেতা মোঃ বোরহান উদ্দিন, সেন্টু, শামীম, কামরুল  ডুবাই, আবু মেম্বার, খায়ের মেম্বার, আকবর হোসেন শাহনাজ মেম্বার, রুপা মেম্বার, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সোহাগ, আরাফাত, সম্পদ, যুবলীদ নেতা টুটুল ও ২ নং চরবাটা ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক সাধারণ জনগন উপস্হিত ছিলেন।

চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমি একটি মহলের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, যার কারনে বার বার আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে।
সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। উক্ত রাজনৈতিক মহল ভেবে ছিলেন ২নং চরবাটা ইউনিয়নে আমার জনপ্রিয়তা হ্রাস করে তারা প্রভাব বিস্তার করবে চরবাটার মাটিতে।
আমার বাবা মরহুম হাজী মোশারফ হোসেন ২ নং চরবাটার প্রথম নিরর্বাচনে বিজয়ী  চেয়ারম্যান ছিলেন।
তার অবদান ২ নং চরবাটার মানুষ মনে রেখে, তার গুনে, অবদানে, দানে মুগ্ধ হয়ে আমাকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান নিরর্বাচনে জয়ী করেন, জনগনের সেবা করার সুযোগ করে দেন।
আর আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মনে করে যে, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে, মিথ্যাচরণ করে, হয়রানি করে, তারা ২ নং চরবাটাতে তাদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করবে।
কিন্তুু ২ নং চরবাটার জনগন তাদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করে আমাকে তাদের মুল্যেবান ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করেছেন। আমার কর্মকান্ড, অবদান, উন্নয়নে তারা আমার পাশে ছিলেন। ভালোবাসা দিয়ে মুক্ত করে এনেছেন।
আমি আপনাদের পাশে আছি, থাকবো, চরবাটার মানুষের সাথে যত ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন, জনগন আমার পাশে আছে, আমি ও তাদের সেবা প্রধান করে যাবো যতো দিন চেয়ারম্যান পদ থাকে ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

 

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন জামিনে মুক্ত।

প্রকাশিত সময় ১২:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০

নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন আজ দুপুর ১১:০০  ঘটিকার সময়  নোয়াখালী জেলা দায়রা জর্জ কোর্ট  থেকে জামিন লাভ করেন।

গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানান যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১)৩০ ধারাদ্বয় দন্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৪৩/৫০৬(২) ধারার মামলার অভিযোগ  বিজ্ঞ আদালত কৃর্তৃক গৃহীত হওয়ায় জনস্বার্থে তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে উচিত নয় বলে সরকার মনে করেন।

তাই চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন মামলা হওয়ার কারনে জনগনের নায্য অধিকার আদায়ে, জনগনের অধিকার, জনসেবা প্রদানের লক্ষে, রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল  হয়ে গত ০১/০১/২০২০ ইং বিজ্ঞ আদালতে উপস্হিত হয়ে আত্নসমর্পন করে আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করেন।

কিন্তুু বিজ্ঞ আদালত জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে চেয়ারম্যান মহোদয়কে কারাগারে প্রেরন করার নির্দেশ দেন।

উক্ত চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন আদালতের প্রতি সন্মান রেখে, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে আজ জামিনে মুক্তি লাভ করেন।

২ নং চরবাটা ইউনিয়নের শত শত নেতা কর্মীরা সকাল ১০ ঘটিকা হতে আদালত চত্বরে  অপেক্ষায় থাকে, কখন প্রিয় চেয়ারম্যানের মোজাম্মেল হোসেনের জামিন হবে তার জন্য।

আওয়ামিলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের চেয়ারম্যান কে এক নজর দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে, আদালত চত্বরে চেয়ারম্যান কে ফুলের মালা দিয়ে বরন করে নেন নেতা কর্মীরা ও চরবাটার জনসাধারণ।

সেই সময় আওয়ামিলীগ নেতা মোঃ বোরহান উদ্দিন, সেন্টু, শামীম, কামরুল  ডুবাই, আবু মেম্বার, খায়ের মেম্বার, আকবর হোসেন শাহনাজ মেম্বার, রুপা মেম্বার, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সোহাগ, আরাফাত, সম্পদ, যুবলীদ নেতা টুটুল ও ২ নং চরবাটা ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক সাধারণ জনগন উপস্হিত ছিলেন।

চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমি একটি মহলের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, যার কারনে বার বার আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে।
সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। উক্ত রাজনৈতিক মহল ভেবে ছিলেন ২নং চরবাটা ইউনিয়নে আমার জনপ্রিয়তা হ্রাস করে তারা প্রভাব বিস্তার করবে চরবাটার মাটিতে।
আমার বাবা মরহুম হাজী মোশারফ হোসেন ২ নং চরবাটার প্রথম নিরর্বাচনে বিজয়ী  চেয়ারম্যান ছিলেন।
তার অবদান ২ নং চরবাটার মানুষ মনে রেখে, তার গুনে, অবদানে, দানে মুগ্ধ হয়ে আমাকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান নিরর্বাচনে জয়ী করেন, জনগনের সেবা করার সুযোগ করে দেন।
আর আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মনে করে যে, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে, মিথ্যাচরণ করে, হয়রানি করে, তারা ২ নং চরবাটাতে তাদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করবে।
কিন্তুু ২ নং চরবাটার জনগন তাদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করে আমাকে তাদের মুল্যেবান ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করেছেন। আমার কর্মকান্ড, অবদান, উন্নয়নে তারা আমার পাশে ছিলেন। ভালোবাসা দিয়ে মুক্ত করে এনেছেন।
আমি আপনাদের পাশে আছি, থাকবো, চরবাটার মানুষের সাথে যত ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন, জনগন আমার পাশে আছে, আমি ও তাদের সেবা প্রধান করে যাবো যতো দিন চেয়ারম্যান পদ থাকে ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।