পাবনার চাটমোহরে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে ভীড়

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ তৃণমুল পর্যায়ে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চাটমোহরে টিকা নিতে মঙ্গলবার ৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই টিকাদান কেন্দ্রে ভীড় করছেন প্রথম ডোজ নেয়া সাধারণ মানুষ।

তবে লাইন ভেঙ্গে কাউকে আগে পরে টিকা দেয়া নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে বাক বিতন্ডা দেখা যায়।

তাছাড়া মোটামুটি বেশ শান্তিপূর্নভাবে টিকাদান সম্পন্ন হয়।

এর আগে গত ৭ আগস্ট চাটমোহর উপজেলায় মোট ৬ হাজার ৬০০ জনকে দেয়া হয়েছিল প্রথম ডোজের টিকা।

এবার তাদেরই দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

চিকিৎসক, নার্স, গ্রাম পুলিশ, আনসার সদস্য, পুলিশ বাহিনী সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকরা স্বত:স্ফূর্ত সহযোগিতা করায় তাদের এই কাজ শান্তিপূর্নভাবে শেষ হয়েছে।

টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভীড় থাকলেও, স্বাস্থ্যবিধি মানতে তাদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যায়নি।

তবে টিকা নিতে পেরে খুশি সাধারণ মানুষ। টিকা নিতে আসা সালমা খাতুন, আব্দুর রাজ্জাক, ফরিদুল ইসলাম খোকন বলেন, প্রথম ডোজ নেয়ার পর কোনো সমস্যা হয়নি।

তাই আজ মঙ্গলবার ৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ডোজ নিতে এসেছেন। এজন্য সরকারকে সাধুবাদ জানান তারা।

উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য আবু বক্কার সিদ্দিক বলেন, গ্রাম পর্যায়ে সকলকে টিকার আওতায় আনতে সরকারের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

আমরা মাঠ পর্যায়ে সহযোগিতা করেছি। আগামীতে আরো বড় পরিসরে আরো বেশি মানুষকে গণটিকার কার্যক্রমের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টিকাদান কেন্দ্রে দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহনাজ খাতুন বলেন, সুন্দরভাবে টিকাদান চলে।

লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে একটু কথা কাটাকাটি ছাড়া সুষ্ঠুভাবে টিকাদান করা হয়েছে। টিকা নিতে মানুষের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে, সকাল থেকে চাটমোহরে বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শণ করেন চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার ওমর ফারুক বুলবুল।

মঙ্গলবার দুপুরে চাটমোহরে গণটিকা কার্যক্রম পরিদর্শণ করেন সিভিল সার্জন ডাক্তার মনিসর চৌধুরী।

গণটিকা কার্যক্রম নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ডাক্তার ওমর ফারুক বুলবুল বলেন, উপজেলার ১১টি টিকাদান কেন্দ্র ও প্রতিটি কেন্দ্রে ৩টি করে বুথে গণটিকা দেয়া হয়।

১১টি টিকাদান কেন্দ্রে ৬৬ জন টিকাদানকর্মী, ৯৯ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত ছিলেন।

সেইসাথে ২২ জন তদারককারী কর্মকর্তা এবং ১১ জন চিকিৎসক সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।

সবার সহযোগিতায় গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন ডাক্তার ওমর ফারুক।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন