পাবনার ফরিদপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া ঘরে বেঁচে থাকার স্বপ্ন

ফরিদপুর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরে ৬টির মধ্যে ৫টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় খাসজমিতে গৃহহীন-ভুমিহীনদের মাঝে ঘরের দলিল হস্তা›তর করা হয়েছে।

আদালতের নিষেজ্ঞার কারণে সোনাহারার ১০টি ঘর এখনো হস্তান্তর করা যায়নি। গতকাল সোমবার খলিশাদহে ১৫টি, ডেমড়ায় ৭টি,গোলকাটার ১৮টি,সোনার বাংলা ক্লাবের পাশের ১২টি ও গোপালনগরের ৮টি মোট ৬০টি ঘর সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

সে সব ঘরে বসবাসরত পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বললে তারা বলেন,প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে আমরা অনেক খুশি। এখন আমরা স্বপ্ন দেখছি খেয়ে পরে বেঁচে থাকার।

তারা প্রতিটি ঘরে তাদের ছোট্র পরিবার,জীবনের সঞ্চিত সম্বলটুকু ঘরে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখে পরম আনন্দে বসবাস করছে। কারও ঘরে ঘুণে ধরা কাঠের চেয়ার,প্লাস্টিকের ফাটা চেয়ার,কাঠের চৌকিতে,রান্নাঘরে কাঠের জরাজীর্ণ মিটসেফ নিয়ে সংসার পেতে বসেছে।

গোলকাটা আশ্রয়ণের মেয়েসহ ৩ জনের সংসার পাতা ফিরোজা বেগম(৬০)দর্জির কাজ করেন আর তার স্বামী আনছার আলী (৭০) সিংগাড়া আর পিঁয়াজু বিক্রি করেন এখানকার ১৮টি পরিবারের কাছে।

এ উপজেলার ঘরগুলো মানুষের দখল করা খাস জমিগুলো সহকারী কশিনার (ভূমি) মহিবুল হক উদ্ধার করে সমতল ভুমিতে তৈরি করায় কোন ঘর নষ্ট হয়নি বা দেবে যায়নি।

তবে বৃষ্টির ঝাপটায় সোনার বাংলার ১২টির রান্নাঘর ও ল্যাট্রিনে এবং গোলকাটার ১৮টির বারান্দা ও মুল ঘরের মাঝ দিয়ে বৃষ্টির পানি ঘরে ঢোকে।আশ্রয়ণগুলোর ল্যাট্রিনে রিং কম থাকায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে কয়েকটি।

এ সব ব্যপারে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমীন আরা বলেন, ছোট-খাট সমস্যাগুলোর সমাধান করে বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ও স্বল্প সুদে ঝণের ব্যবস্থা করে উপকারভোগীদের আতœকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে স্বনির্ভর করে তোলা হবে।

আরও পরুনঃ পাবনাতে প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় আটক ১

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন