ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

পাবনার হান্ডিয়ালে টোলের নামে চলছে চাঁদাবজি !

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ১১:০২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • / 10

: পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নে টোল আদায়ের নামে চলছে চাঁদাবাজি।

এ ইউনিয়নে নছিমন করিমন ও অটো বরাক গাড়ি থেকে চলছে এ সব চাঁদাবাজি। অন্য কোন স্থান থেকে এই ইউনিয়নের হান্ডিয়াল বাজারে প্রবেশ করলেই এক শ্রেণির চাঁদাবাজরা এসে ড্রাইবারকে তাদের ছাপানো রশিদ হাতে ধরিয়ে দিয়েই ৪০ টাকা আদায় করে ছাড়ছে।

এসময় গাড়ির চালকরা টাকা না দিতে চাইলে তাদের গাড়ি ঐ চাঁদাবাজরা আটকে রাখে। এটি যেন নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িছে। ভুক্তভুগিরা এই নৈরাজ্য ধরণের চাঁদাবাজির কোনো প্রতিকার না পেয়ে তাদের মাঝে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তাদের অভিযোগ, সরকারি রাস্তা আর ব্যক্তিগত গাড়ি তাদেরকে আবার কিসের চাঁদা দিতে হবে।

বোরাক গাড়ি চালক আয়নাল জানান, সমিতি থেকে কিস্তিতে লোন করে গাড়ি কিনেছি। কিন্তু এই ইউনিয়নের হান্ডিয়াল বাজারে গাড়ি আনলেই প্রতিদিন ৪০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়।

এসময় তিনি ৪০ টাকা চাঁদা প্রদানের একটি রশিদও সাংবাদিকেদের দেখান।
এ বিষয়ে হান্ডিয়াল ইউপি চেয়ারম্যান কে এম জাকির হোসেন বলেন, যানবাহন থেকে চাঁদা নেওয়া অন্যায় ।

তবে স্থানীয়ভাবে হান্ডিয়াল বাজারে একটি দালাল অফিস আছে, সেখানে সরকার দলীয় পরিচয়ে আওয়ামী নামধারী ব্যক্তিরা এমন কাজ করে থাকতে পারে।

চাঁদা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে হান্ডিয়াল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল কালাম বলেন, সরকারি রাস্তাতে ব্যক্তিগত গাড়ি চলবে এতে আবার কিসের চাঁদা ?

তবে সমিতির নামে চালকদের নিকট থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার অশীম কুমার বলেন, যানবাহনের চালকদের নিকট থেকে চাঁদা তোলার কোনে বিধান নেই। চাঁদা নেওয়ার ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করলে তাৎক্ষণাৎ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাবনার হান্ডিয়ালে টোলের নামে চলছে চাঁদাবজি !

প্রকাশিত সময় ১১:০২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

: পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নে টোল আদায়ের নামে চলছে চাঁদাবাজি।

এ ইউনিয়নে নছিমন করিমন ও অটো বরাক গাড়ি থেকে চলছে এ সব চাঁদাবাজি। অন্য কোন স্থান থেকে এই ইউনিয়নের হান্ডিয়াল বাজারে প্রবেশ করলেই এক শ্রেণির চাঁদাবাজরা এসে ড্রাইবারকে তাদের ছাপানো রশিদ হাতে ধরিয়ে দিয়েই ৪০ টাকা আদায় করে ছাড়ছে।

এসময় গাড়ির চালকরা টাকা না দিতে চাইলে তাদের গাড়ি ঐ চাঁদাবাজরা আটকে রাখে। এটি যেন নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িছে। ভুক্তভুগিরা এই নৈরাজ্য ধরণের চাঁদাবাজির কোনো প্রতিকার না পেয়ে তাদের মাঝে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তাদের অভিযোগ, সরকারি রাস্তা আর ব্যক্তিগত গাড়ি তাদেরকে আবার কিসের চাঁদা দিতে হবে।

বোরাক গাড়ি চালক আয়নাল জানান, সমিতি থেকে কিস্তিতে লোন করে গাড়ি কিনেছি। কিন্তু এই ইউনিয়নের হান্ডিয়াল বাজারে গাড়ি আনলেই প্রতিদিন ৪০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়।

এসময় তিনি ৪০ টাকা চাঁদা প্রদানের একটি রশিদও সাংবাদিকেদের দেখান।
এ বিষয়ে হান্ডিয়াল ইউপি চেয়ারম্যান কে এম জাকির হোসেন বলেন, যানবাহন থেকে চাঁদা নেওয়া অন্যায় ।

তবে স্থানীয়ভাবে হান্ডিয়াল বাজারে একটি দালাল অফিস আছে, সেখানে সরকার দলীয় পরিচয়ে আওয়ামী নামধারী ব্যক্তিরা এমন কাজ করে থাকতে পারে।

চাঁদা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে হান্ডিয়াল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল কালাম বলেন, সরকারি রাস্তাতে ব্যক্তিগত গাড়ি চলবে এতে আবার কিসের চাঁদা ?

তবে সমিতির নামে চালকদের নিকট থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার অশীম কুমার বলেন, যানবাহনের চালকদের নিকট থেকে চাঁদা তোলার কোনে বিধান নেই। চাঁদা নেওয়ার ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করলে তাৎক্ষণাৎ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।