পাবনায় করোনা রোগী নেই তবে ঝুঁকি আছে; সতর্কতাই মহা প্রতিরোধ

রনি ইমরান, পাবনাঃ পাবনায় এখনো করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত কোনো রোগী সনাক্ত হয়নি। তবে বিদেশ ফেরত কোয়ারেন্টিনে থাকা করোনা ভাইরাস সন্দেহর সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ছে।

গত ১৬ মার্চ পাবনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার বিদেশ ফেরত ১৩ জনকে তারা হোম কোয়ারেন্টিনে রেখেছিলেন কিন্তু গত দু দিনের ব্যবধানে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৩৮ জন বলছিলেন, পাবনা সিভিল সার্জন ডাক্তার মেহেদী ইকবাল।

তিনি বলেন, এখনো পাবনায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কেউ সনাক্ত হয়নি। যে ৪০ জন কোয়ারেন্টিন ছিলো তাদের মধ্যে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে খোলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড ও করোনা সতর্ককরন ডিজিটাল ডিসপ্লে।

হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, এখনো কোন রোগী চিকিৎসার জন্য শরনাপন্ন হয়নি তবে, বিভিন্ন ডাক্তারদের সাথে তারা ব্যাক্তিগতভাবে যোগাযোগ করতে পারে। করোনা বিষয়ক হটলাইন খুলেছে পাবনা সিভিল সার্জন অফিসে।

পাবনার মানুষের মধ্যে যতটুকু ভয় আত্বঙ্ক বিরাজ করছে সেই তুলনায় মানুষ সচেতন হচ্ছেনা বলে সরেজমিনে দেখা গেছে।

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারন, হাচিঁ-কাশির শৃষ্টাচার মেনে চলছে না অনেকেই। জ্বর সর্দি কাশি নিয়ে কোনরকম প্রতিরোধমূলক ব্যাবস্থা ছাড়াই শহরে ঘুড়তে দেখা গেছে অনেক পথচারিদের।

এ বিষয়ে মাছরাঙ্গা টিভির উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চিফ সাংবাদিক উৎপল মির্জা জানায় প্রশাসনের এ ব্যাপারে নজরদারী থাকতে হবে। বিদেশ ফেরত যারা এসেছেন তারা বাড়ীতে আছেন নাকি ঘুড়ে বেরাচ্ছেন সে বিষয়ে নজরদারীতে রাখতে হবে। সাধারণ ঠান্ডা জ্বর নিয়ে আপাতত ঘর থেকে না বের হওয়ায় ভালো।

পাবনা জেলা যুবলীগের উদ্যোগে সচেতনা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। বিদেশীদের আনাগোনার শহর পাবনা ও বিদেশ ফেরতদের জন্য পাবনা একটি ঝূকিপূর্ণ জেলা।

এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন এবং দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সংখ্যা ১৪ জন বলে নিশ্চিত করেছেন আইইডিসিআর।

পাবনায় এখনো মানুষ সচেতন হচ্ছেনা বলে অনেকেই ঝুকির মাঝে রয়েছে।

পাবনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক ডাঃ রাম দুলাল ভৌমিক বলেন, যেহেতু এ ভাইরাসের কোন প্রতিষেধক নেই সেহেতু প্রতিরোধী আমাদের একমাত্র অবলম্বন। নিয়মিত খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, হাচিঁ-কাশির শৃষ্টাচার মেনে চলতে হবে। জনাসমাগম এরিয়ে চলতে হবে। করোনার লক্ষন দেখা দিলে নিজ ঘরে কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে এবং ডাক্তারের এর পরামর্শ নিতে হবে।

শহরে সর্দি-কাশি জ্বর নিয়ে ঘরে থাকার পরামর্শ মানছে না অনেকেই এতে মহা ঝুকি বয়ে আনতে পারে।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন