পাবনা জেলার ১৯৩ তম জন্মদিন পালন

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবানা জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য জনাব গোলাম ফারুক প্রিন্স এর উদ্যোগে পাবনা জেলার ১৯৩তম জন্মদিন উৎযাপন করা হয়েছে।

শনিবার ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে কেক কেটে ও আঁতশবাজি, মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে নেতা কর্মীরা দিনটি উৎযাপন করে।

১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। রাজশাহী জেলার ৫টি থানা ও যশোর জেলার ৩টি থানা নিয়ে সর্ব প্রথম পাবনা জেলা গঠিত হয়।

সময় সময় এর এলাকা ও সীমানার পরিবর্তন ঘটেছে। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ২১ নভেম্বর যশোরের খোকসা থানা পাবনা ভুক্ত করা হয়। অন্যান্য থানা গুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহীর খেতুপাড়া, মথুরা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ ও পাবনা। ‘যশোরের চারটি থানা ধরমপুর, মধুপুর, কুস্টিয়া ও পাংশা’।

১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর জেলার পূর্ব সীমা নির্দিষ্ট করা হয় যমুনা নদী। ১২ জানুয়ারি ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জ থানাকে মোমেনশাহী জেলা (বর্তমান ময়মনসিংহ) থেকে কেটে নিয়ে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমায় উন্নীত করে পাবনা ভুক্ত করা হয়। এর ২০ বছর পর ১৮৮৬ সালে রায়গঞ্জ থানা এ জেলায় সামিল হয়।

১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে পাংশা, খোকসা ও বালিয়াকান্দি এই তিনটি থানা নিয়ে পাবনার অধীনে কুমারখালী মহকুমা গঠন করা হয়। ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে কুষ্টিয়া থানা এ জেলা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।

সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে সিরাজগঞ্জকে এ জেলা হতে বিচ্ছিন্ন করে জেলা ঘোষনা করা হয়। বর্তমানে পাবনা, আটঘরিয়া, চাটমহোর, আতাইকুলা, সাঁথিয়া, সুজানগর, আমিনপুর, ঈশ্বরদী, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও বেড়া থানা নিয়ে পাবনা জেলা গঠিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা লিয়াকত আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী (ভিপি মাসুদ), পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য ও এমপির বিশেষ সহকারী কামরুজ্জামান রকি, দপ্তর সম্পাদক শরিফুল ইসলাম পলাশ, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আহমেদ শরীফ ডাবলু, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিহার আফরোজ জলি, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান রাসেল, এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমরান শেখ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর যুগ্ন সম্পাদক বাবু শেখ, কৃষক লীগ নেতা বকুল, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান রিংকু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রাহাত হোসেন পল্লব সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দ ।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন