প্যালেষ্টাইনের ভবিষ্যৎ ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ প্রসঙ্গ

আরব ভূখন্ডে অবস্থিত ফিলিস্তিনের জনগণ দীর্ঘকাল ধরে নির্যাতিত হয়ে আসছে। পৃথিবীর বহু দেশ, বিদেশী উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করেছে। কিন্তু ফিলিস্তিনির জনগণ একটি রাষ্টের মালিক হয়েও নিজের দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইসরাইলীদের আশ্রয় দিয়ে আজ নিজেরাই বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে। প্যালেষ্টাইনের একটি শিশু বড় হলে একদিন তাকে লড়তে হয় ইসরাইলীদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে।

আমরা অনেকে অবগত ছিলাম যে, পিএলও নেতা প্রয়াত ইয়াছির আরাফাত প্রায় চার দশক যাবৎ ইসরাইল কতৃক অধিকৃত দখলকৃত ভূমি উদ্ধার ও স্বাধীন প্যালেষ্টাইন বিনির্মাণের জন্য লড়ে গেছেন।

যুক্তরাষ্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সময় ইসরাইল ও প্যালেষ্টাইনের মধ্যে দীর্ঘকালের বিবাদ ও পরস্পরের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসানের লক্ষে দুই দেশের আলোচনার ব্যবস্থা করে। বিল ক্লিনটন সাবেক ইসরাইলী প্রেসিডেন্ট মিষ্টার আইজ্যাক রবিন ও প্যালেষ্টাইনের নেতা ইয়াছির আরাফাতের সঙ্গে শান্তি ও সহবাসের জন্য উভয়কে করর্মদন ঘটিয়েছিলেন।

বিল ক্লিনটন তাদের মধ্যে বৈরিতা দূরকরন এবং প্যালেষ্টাইনের স্বাধীন রাষ্ট গঠন, পাশাপাশি ইসরাইলের বাস্তবতা মেনে উভয়ের মধ্যে সোর্হাদপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে অনেক দূর এগিয়েছিলেন। সে ক্ষেত্রে প্যালেষ্টাইন ও ইসরাইলের মধ্যে যে রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্দোগ নিয়েছিলেন তাতে তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখেন।

এই ঐতিহাসিক সমযোতার কিছুদিন পর বড়ই দুঃখজনক ও আর্শ্চযজনক ঘটনা যে, ইসরাইলী সাবেক প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক রবিন একজন আততায়ীর হাতে নিহিত হন। তার কয়েক বছর পর অনাঙ্কাখিত ও রহস্যজনক ভাবে পিএলও প্রায়ত নেতা ইয়াছির আরাফাতেরও মৃত্যু ঘটে। তার পরে প্যালেষ্টাইনের বুকে অনেক বেলা গড়িয়ে যায়।

বিগত ২০১৪ সালে পবিত্র ঈদের দিনও ইসরাইলি বাহিনী কতৃর্ক প্যালেষ্টাইনের নারী, শিশু ও যুবকদের হত্যা করা হয়েছে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ কেবল নিন্দাসুচক ও দুঃখজনক বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে।

প্যালেষ্টইনের জনগনের ভাগ্য বিড়ম্বিত জীবন দেখার সময় যেন বৃহৎ শক্তি রাষ্টগুলোর নেই। তারা সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। কেবল বৃহৎ শক্তি রাষ্টগুলোর মধ্যে পরস্পর প্রতিযোগিতা চলছে। কিভাবে বিশ্বের সেরা সামরিক শক্তিধর রাষ্ট হওয়া যায়। এবং উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র তৈরি করে ছোট ছোট দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ভাবে অস্ত্র বিক্রয়ে প্রসার ঘটানো যায়।

কেউ আবার সামরিক শক্তির পাশাপাশি বিশ্ব বাজারে অর্থনৈতিক আধিপত্যের মাধ্যমে পণ্যের বাজার প্রসারে প্রতিযোগিতা নিয়েও ব্যস্ত। তবে এইসব রাষ্টগুলোর মধ্যে চীন বাণিজ্য প্রসারে অবশ্য সর্বাগ্রে।

তবে দেশে দেশে যুদ্ধ বিগ্রহ সৃষ্ঠির জন্য অস্ত্র তৈরির কারখানা সমৃদ্ধির চেয়ে অর্থনৈতিক প্রযুক্তির সমৃদ্ধি ঘটানোর জন্য বিশ্ব বাজারে পরস্পর মধ্যে পণ্য বাণিজ্য প্রতিযোগিতা উত্তম।

কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আজ বৃহৎ সামরিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্টগুলোর অস্ত্র বাণিজ্যের অন্যতম বাজার। যার কারণে মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলো পরস্পরের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের মধ্য দিয়ে একটি পর্যায়ে রক্তাক্তে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশকে সামরিক নিরাপত্তার দেওয়ার নামে যুক্তরাষ্ট তার মিত্র দেশ সমূহে সামরিক ঘাঁটি করে রেখেছে। আবার তার নিজস্ব আধিপত্য বজায় রাখার জন্য কোন রাষ্টের সাথে সামরিক নিরাপত্তা চুক্তি ও বিশ্ব শান্তির লক্ষে পরমানু নিরস্ত্র করনের চুক্তি করে রেখছিল। এবং তারা ইচ্ছামাফিক সেই চুক্তি ভঙ্গ করতে এক মুহুর্তও দ্বিধা করেন না। এমনই একটি নজির সৃষ্টি করেছেন বর্তমান ক্ষমতাশীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট মিষ্টার ট্রাম্প।

এই কারণে এই কথাগুলো বলা হল যে, একসময় যুক্তরাষ্টসহ পরমানু অস্ত্র তৈরি ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি রাষ্টের সাথে ইরানের পারমানবিক নিরস্ত্র করণের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে বিগত সেই চুক্তি প্রত্যাহার করে নিলে ইরান ও যুক্তরাষ্টের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি এবং সামরিক উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়।

মূলতঃ যুক্তরাষ্ট্র এটা করেছে ইরানকে শাস্তি দেওয়ার লক্ষে এবং ভবিষ্যতে তারা যেন যুক্তরাষ্টের কোন মিত্র রাষ্টের উপর সামরিক আক্রমন করতে না পারে। তাই তিনি একক সিদ্বান্তে অর্থাৎ মার্কিন কংগেসের অনুমোদন ব্যতিরেকে ২০২০ সালে প্রথম মাসের কয়েকদিন যেতে না যেতে ড্রোন হামলার নির্দেশ দিলে ইরানের কুর্দস ফোর্সের জেনারেল কাশেম সোলাইমানি সহ ৮ জন সামরিক অফিসার নিহত হয়। এতে ইরান মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হলেও এই হত্যার বদলা নেওয়ার ঘোষনা দেয়।

এটায় বাস্তবিক যে সন্ত্রাস সন্ত্রাসের জন্ম দেয়। হত্যা হত্যার মধ্য দিয়ে রক্তের ক্ষতিপূরন পুষিয়ে নেয়। তাই পদার্থবিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের মতে, প্রতিটি ক্রিয়ার একটি বিপরীত প্রতিক্রিয়া ঘটে। সুতরাং ঘটলোও তাই, ২০২০ সালের গত ৮ই জানুয়ারী ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাটিতে ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮০ জন মার্কিন সেনা নিহত ও ২০০ জন আহত হয়। (সূত্রঃ ইরানের রাষ্টীয় টেলিভিশন)

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন ঐ হামলায় মার্কিন সেনাদের তেমন কোন ক্ষতি হয় নাই। আসলে কি বাস্তবে তাই? যুক্তরাষ্টের কয়েকজন ঐ হামলার শিকার হয়ে তাদের মস্তিস্ক বিকল হয়ে গেছে। (সূত্রঃ রয়টারস)

যার ফলে মিঃ ট্রাম্প ইরানকে পালটা হামলা করার সিদ্ধান্ত তাৎক্ষনিক নিলেন না। এবং এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে হামলা করার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন।

এখানে যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট অবশ্য বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন পাশাপাশি ইরানের সাথে কোন শর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসতে চেয়েছেন। কিন্তু এই সুন্দর সিদ্ধান্তটি ইরানের কাশেম সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার আগে কেন নিলেন না? আমাদের বাংলা ভাষায় একটি প্রবাদ আছে “গাধা পানি খাই ঘোলা করে” মিঃ ট্রাম্পের বিষয়টি এমনি।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা দরকার যে, সেদিন ইরানের বিরুদ্ধে সেই ড্রোন হামলা যুক্তরাষ্টের জনগন ভালভাবে মেনে নেয়নি। যার প্রতিক্রয়ায় যুক্তরাষ্টের জনগনের মধ্যে ব্যপক বিক্ষোভ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। এতে প্রতিয়মান হয় যে, বিশ্বের সাধারন মানুষ অকারণে যুদ্ধ চাইনা।

ইরান ও যুক্তরাষ্টের মধ্যে সামরিক সংঘাত ও উত্তেজনার কারনে ইউক্রেনের একটি যাত্রিবাহী বিমান বিধস্ত হয় যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে ১৭৬ জন যাত্রীর সবাই মৃত্যুবরন করেন।

ঐ বিমানে কানাডার অনেক যাত্রী ছিল। কানাডার প্রধানমন্ত্রি ইরান ও যুক্তরাষ্টকে দায়ি করে বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালতে তোলার কথা বলে। ঐ যাত্রিবাহী বিমানটি অবশ্য ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় বিধস্ত হয়। ইরান প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে দোষ স্বীকার করে নেয়।

এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় কানাডার প্রধানমন্ত্রি বলেন, যুক্তরাষ্ট ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত ও উত্তজেনা বলি হতে হল হতভাগ্য যাত্রীদের। ঐ উত্তেজনা যদি না ঘটতো তাহলে যাত্রীরা আজ বেঁচে থাকতেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রির বক্তব্যে একটি বিষয় পরিস্কার হয়ে যায় যে, উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক অস্তিরতা আর পরাশক্তিদের ক্ষমতার দ্বন্ব ও শক্তি প্রদর্শন দেখাতে যুদ্ধ ও কলহর মধ্যে নিপতিত থাকলে বিশ্বের সাধারন মানুষের জীবন বিঘ্নিত হতে পারে। ইউক্রেনের যাত্রীবাহি বিধ্বস্ত বিমানটি এর নজির।

আর এই ঘটনাটি তখন ঘটলো যখন যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট ইরানের সাথে স্বাক্ষরিত পরমানু নিরস্ত্র করনের চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, যুক্তরাষ্টসহ ইতিপূর্বে ৫টি দেশের সাথে ইরানের পারমানবিক নিরস্ত্র করণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু অন্য কোন পরাশক্তি রাষ্টগুলো ইরানের সাথে নিরস্ত্রকরন চুক্তি ভঙ্গ করে নাই। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট এই চুক্তি ভঙ্গ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অস্থিরতা ও নিরাপত্তার শঙ্কা নিপতিত করেছে।

যার প্রতিক্রিয়া আমরা লক্ষ করছি যুক্তরাষ্টের সমর্থন ও সমরশক্তির উপর নির্ভর করে ইসরাইল একতরফা ভাবে প্যালেষ্টাইনের উপর অমানবিক নিষ্ঠুর ও হত্যা কর্মকান্ড করে চলেছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার কথিত শান্তি পরিকল্পনার নামে ইসরাইল ও প্যালেষ্টাইনকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। উত্তর-পশ্চিম তীরে ইসরাইলের হামলায় প্যালেষ্টাইন অধিবাসি নিহত হচ্ছে। প্যালেষ্টাইনরা নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য গাড়ি হামলা করে ইসরাইলী পুলিশ ও সেনাদের মোকাবলা করার চেষ্টা করেছে।

বাস্তব সত্য এই যে, প্যালেষ্টাইন জনগন যুগ যুগ ধরে নিরস্তভাবে অস্ত্রধারি ইসরাইল পুলিশ ও সেনাদের সাথে লড়াইয়ের মাধ্যমে তাদের অধিকৃত ভূখন্ড অধিকারের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষপাত্বিতের কারণে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রি নেতানিয়াহু তাদের পুরোনো পরিকল্পনা মাফিক জর্ডান উপত্যকা, পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরাইলি বসতি স্থাপনের ঘোষনা করছে। যার ফলে প্যালেষ্টাইনের ভবিষ্যৎ সমাধানের পথকে রুদ্ধ করছে।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী বানানোর ষরযন্ত্রে লিপ্ত আছে। এতে আন্তজার্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন যে, মিষ্টার ট্রাম্প ইসরাইলকে রাজনৈতিক ও ভৌগলিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গায়ে পড়ে ইরানের সাথে বিবাদ করছে। যাতে আন্তজার্তিক মহলের দৃষ্টি ইরান ও যুক্তরাষ্টের দিকে নিবদ্ধ থাকে।

এরই নৈপথ্যে ইসরাইল প্যালেষ্টাইনের উপর তার আধিপত্য বিস্তার করে এবং প্যালেষ্টাইনকে টুকরো টুকরো করে প্যালেষ্টাইনবাসির স্বাধীনতা সংগ্রামকে চিরতরে নসাৎ করে দিতে পারে। আর ইসরাইল তার মনোনিত প্যালেষ্টাইনের স্বাধীনতা বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায়। যদিও এধরনের বাস্তাবায়ন বিশ্ববাসী কখনো মেনে নিবে না।

তারই ধারাবাহিকতায় মিষ্টার ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা ইউরো পার্লামেন্ট তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। এছাড়া নেদারলেন্ডের পার্লামেন্টে সদ্য নির্বাচিত কাটি পিরি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনা আন্তজার্তিক আইন লঙ্ঘন করে সহিংসতা উস্কে দেওয়ার সামিল।

ট্রাম্পের এই তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনা প্যালেষ্টাইনের পশ্চিম তীরে ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত পরিকল্পনারই বৈধতা দেয়।

আগামী নির্বাচনে জনগনের সমর্থন লাভের নামে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার উদ্দেশ্য প্রণোদিত এই নীলনকশা। শুধু নির্বাচনে জিতে যাওয়ার প্রত্যাশায় দীর্ঘকালের নির্যাতিত বিশাল জনগোষ্ঠিকে গলাটিপে হত্যা করে সংগ্রামী মানুষের অধিকার আন্দোলনের সংগ্রামকে স্তদ্ধ করা যায় না।

তাই বিশ্বের শান্তিকামি মানুষ মনে করে, অবিলম্বে এসকল হটকারি সিন্ধান্ত নেয়া থেকে মিষ্টার ট্রম্পের সরে আসা উচিৎ। এবং প্যালেষ্টাইনবাসির আধিকার আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে দীর্ঘকালের এই পুঞ্জীভূত সমস্যাকে সমাধানের লক্ষে ইউরোপসহ জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সমাধান হওয়া উচিৎ।

এটা আমাদের সবাইকে অবগত হতে হবে যে, প্যালেষ্টাইনের সমস্যা সমাধানের মধ্যেই লুকায়িত আছে মধ্যপাচ্যের শান্তি। যতদিন না বিশ্ব নেতৃবর্গ প্যালেষ্টাইনবাসির মুক্তির জন্য এগিয়ে আসবে, ততদিন পর্যন্ত জ্বলতে থাকবে মধ্যপাচ্যের বুকে লেলিহান অগ্নিশিখা।

হাক্কি মাহমূল হক
লেখক।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন