ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ্য সোঁতি বাধ অপসারণ

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৬:২২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯
  • / 34

ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধিঃপাবনার ভাঙ্গুড়া এলাকার নদী ও বিল থেকে অবৈধ্য সোঁতি বাধ অপসারণ করা হয়েছে। বুধবারে উপজেলা মৎস অফিসার মোঃ আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে এই অবৈধ্য সোঁতি বাধ অপসারণ করা হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল যে, ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের চরভাঙ্গুড়া ঘাট সংলগ্ন গুমানী নদীর ক্যানাল পুইবিলা নামক স্থানে ও তার উজানে বিলের মধ্যে একাধিক স্থানে বাধ দিয়ে মৎস শিকার করেছে ।

ঐ অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হলো । এসময় চলনবিল এলাকার ভাঙ্গুড়া উপজেলার গুমানী নদী ও ক্যানালে স্থাপিত ওই অবৈধ সোঁতি বাঁধ অপসারণ করেন।

তবে এই অভিযানের সময় মাছ ধরা কোনো ব্যক্তি বা সোঁতি স্থাপনকারী কাউকে পাওয়া যায় নি। এসময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসনাৎ জাহান ও ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মতিন জানান, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ মোতাবেক এই এলাকায় এধরণের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ্য সোঁতি বাধ অপসারণ

প্রকাশিত সময় ০৬:২২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯

ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধিঃপাবনার ভাঙ্গুড়া এলাকার নদী ও বিল থেকে অবৈধ্য সোঁতি বাধ অপসারণ করা হয়েছে। বুধবারে উপজেলা মৎস অফিসার মোঃ আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে এই অবৈধ্য সোঁতি বাধ অপসারণ করা হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল যে, ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের চরভাঙ্গুড়া ঘাট সংলগ্ন গুমানী নদীর ক্যানাল পুইবিলা নামক স্থানে ও তার উজানে বিলের মধ্যে একাধিক স্থানে বাধ দিয়ে মৎস শিকার করেছে ।

ঐ অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হলো । এসময় চলনবিল এলাকার ভাঙ্গুড়া উপজেলার গুমানী নদী ও ক্যানালে স্থাপিত ওই অবৈধ সোঁতি বাঁধ অপসারণ করেন।

তবে এই অভিযানের সময় মাছ ধরা কোনো ব্যক্তি বা সোঁতি স্থাপনকারী কাউকে পাওয়া যায় নি। এসময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসনাৎ জাহান ও ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মতিন জানান, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ মোতাবেক এই এলাকায় এধরণের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।