ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

ভাঙ্গুড়ায় এলজিইডি’র ৩০ লক্ষ টাকার ব্রিজ প্রভাবশালীর দখলে

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৪:৫৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 12

পাবনা (ভাঙ্গুড়া) প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার নৌবাড়িয়া গ্রামে এলজিইডি’র ত্রিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নির্মিত একটি ফুট ব্রিজের এক পাশের সংযোগ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল। যার ফলে উপর দিয়ে চলাচল করতে না পারায় প্রায় দশ গ্রামের শত শত জনসাধারণ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, ব্রিজটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নৌবাড়িয়া এলাকার রাস্তা থেকে অন্যদিকে নৌবাড়িয়া গ্রামের মাহমুদ আলীর বাড়ির সাথে লাগানো। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তার সাথে নৌবাড়িয়ার দিকে মানুষ সহজেই যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু ব্রিজটির দক্ষিণ প্রান্তে মাহমুদ আলীর বাড়ি হওয়ায় উত্তর দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা থেকে নৌবাড়িয়ার গ্রামের দিকে আসলেও জনসাধারণ দক্ষিণ প্রান্তে রাস্তা বন্ধ পাচ্ছেন। ফলে তার আর ঐ ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না। যার ফলে তারা প্রায় ৩কি.মি. পথ ঘুরে এসে আবার সেই ব্রিজের দক্ষিণ পাশের নৌবাড়িয়া নতুন ব্রিজে উঠতে হচ্ছে।

যে কারণে উপজেলার বড় বিশাকোল, ছোটবিশাকোল, কয়ড়া পুকুরপার, পরমানন্দপুর, সাতবাড়িয়া, ময়দানদীঘি, খানমরিচ রুপসী এলাকার জনসাধারণ ভাঙ্গুড়া আসতে প্রায় ৩ কি.মি. পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে।

তাদের প্রশ্ন এলজিইডি’র ৩০লক্ষ টাকা ব্যয় করে নির্মিত রাস্তা কিভাবে এক পরিবার ব্যবহার করে?

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পনের বছর আগে নৌবাড়িয়া খেয়া ঘাট সংযোগে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি নৌবাড়িয়া গুমানি নদীর উপর বড় একটি সেতু নির্মাণের পর এই ফুট ব্রিজের গুরুত্ব আরো বেড়ে গেছে। কারণ নৌবাড়িয়া গ্রামের পিছনে পাকা সড়ক থেকে ফুট ব্রিজ দিয়ে গুমানি সেতুর দুরুত্ব মাত্র তিন’শ মিটার।

ছোটবিশাকোল গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, স্থানীয় সরকার জনসাধারণের জন্য ব্রিজ তৈরি করে দিয়েছে। অথচ আমরা প্রায় দশ গ্রামের মানুষ এখন তা ব্যবহার করতে পারছি না। তার জিজ্ঞাসা এলজিইডি কেন ব্রিজের দক্ষিণ পাশের সংযোগ রাস্তাটি উদ্ধার করছে না? এ

লাকাবাসী এলজিইডি’র ওই ফুট ব্রিজটি জনচলাচলের উপযোগী করতে ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাদের একজন সাবেক হিসাব রক্ষক হেড অফিসে থাকতে তদবির করে নিজেদের প্রয়োজনে এই ব্রিজটি নির্মাণ করিয়ে নেয়। ব্রিজের দক্ষিণ পাশে তাদেরই জায়গা। তারা এখন রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণে ব্রিজটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

ভাঙ্গুড়ায় এলজিইডি’র ৩০ লক্ষ টাকার ব্রিজ প্রভাবশালীর দখলে

প্রকাশিত সময় ০৪:৫৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

পাবনা (ভাঙ্গুড়া) প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার নৌবাড়িয়া গ্রামে এলজিইডি’র ত্রিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নির্মিত একটি ফুট ব্রিজের এক পাশের সংযোগ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল। যার ফলে উপর দিয়ে চলাচল করতে না পারায় প্রায় দশ গ্রামের শত শত জনসাধারণ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, ব্রিজটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নৌবাড়িয়া এলাকার রাস্তা থেকে অন্যদিকে নৌবাড়িয়া গ্রামের মাহমুদ আলীর বাড়ির সাথে লাগানো। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তার সাথে নৌবাড়িয়ার দিকে মানুষ সহজেই যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু ব্রিজটির দক্ষিণ প্রান্তে মাহমুদ আলীর বাড়ি হওয়ায় উত্তর দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা থেকে নৌবাড়িয়ার গ্রামের দিকে আসলেও জনসাধারণ দক্ষিণ প্রান্তে রাস্তা বন্ধ পাচ্ছেন। ফলে তার আর ঐ ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না। যার ফলে তারা প্রায় ৩কি.মি. পথ ঘুরে এসে আবার সেই ব্রিজের দক্ষিণ পাশের নৌবাড়িয়া নতুন ব্রিজে উঠতে হচ্ছে।

যে কারণে উপজেলার বড় বিশাকোল, ছোটবিশাকোল, কয়ড়া পুকুরপার, পরমানন্দপুর, সাতবাড়িয়া, ময়দানদীঘি, খানমরিচ রুপসী এলাকার জনসাধারণ ভাঙ্গুড়া আসতে প্রায় ৩ কি.মি. পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে।

তাদের প্রশ্ন এলজিইডি’র ৩০লক্ষ টাকা ব্যয় করে নির্মিত রাস্তা কিভাবে এক পরিবার ব্যবহার করে?

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পনের বছর আগে নৌবাড়িয়া খেয়া ঘাট সংযোগে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি নৌবাড়িয়া গুমানি নদীর উপর বড় একটি সেতু নির্মাণের পর এই ফুট ব্রিজের গুরুত্ব আরো বেড়ে গেছে। কারণ নৌবাড়িয়া গ্রামের পিছনে পাকা সড়ক থেকে ফুট ব্রিজ দিয়ে গুমানি সেতুর দুরুত্ব মাত্র তিন’শ মিটার।

ছোটবিশাকোল গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, স্থানীয় সরকার জনসাধারণের জন্য ব্রিজ তৈরি করে দিয়েছে। অথচ আমরা প্রায় দশ গ্রামের মানুষ এখন তা ব্যবহার করতে পারছি না। তার জিজ্ঞাসা এলজিইডি কেন ব্রিজের দক্ষিণ পাশের সংযোগ রাস্তাটি উদ্ধার করছে না? এ

লাকাবাসী এলজিইডি’র ওই ফুট ব্রিজটি জনচলাচলের উপযোগী করতে ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাদের একজন সাবেক হিসাব রক্ষক হেড অফিসে থাকতে তদবির করে নিজেদের প্রয়োজনে এই ব্রিজটি নির্মাণ করিয়ে নেয়। ব্রিজের দক্ষিণ পাশে তাদেরই জায়গা। তারা এখন রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণে ব্রিজটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।