ভাঙ্গুড়ায় গনপিটুনীর হাত থেকে রক্ষা পেলেন কলেজ ছাত্র

 

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ছেলে ধরা সন্দেহে গনপিটুনীর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন সোহাগ (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী। সে স্থানীয় সরকারী হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও উপজেলার টলটলিয়া পাড়া গ্রামের রঞ্জু প্রামানিকের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রবিবার রাত আটটার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তাকে এলোমেলো ঘোরাফেরা দেখে এলাবাসীর সন্দেহ হয়। তারা তার সাথে কথা বলার জন্য ডাক দিলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

তখন এলাবাসী তাকে ধাওয়া করলে সে দৌড়ে ভাঙ্গুড়া বাসস্টপ এলাকায় যায়। সোহাগ সেখানে পৌছে তার পরিচিত এক ব্যক্তি কে জড়িয়ে ধরে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করতে থাকে। সেখান থেকে সাবেক কাউন্সিলর বাচ্চুর নেতৃত্বে উত্তেজিত জনতা তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মারুফ হাসনাত নটু সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

মারুফ হাসনাত নটু জানান, ছেলেটি তার পূর্ব পরিচিত। বাবা মায়ের সাথে রাগ করে সে বাড়ি থেকে বের হয়েছে। সে।

ছেলেটি অন্ধকারে ডাক দেয়া ব্যক্তিকে নিজের মা বাবা ভেবে ভুল করে এবং বাড়ি ফিরবে না বলে দ্রুত হাঁটতে থাকে। তারা তাকে ছেলে ধরা বলে চিৎকার শুরু করলে সে দৌড়ে বাসস্টপ এলাকায় চলে যায়।

সোহাগের বাবা রঞ্জু বলেন, দেশের যা পরিস্থিতি অল্পের জন্য আমার ছেলে বেঁচে গেছে। সরকার এবং প্রসাশনের উচিৎ দ্রুত এই বিষয়ের একটা সমাধান হওয়া করা।

উত্তেজিত জনতান সাথে থাকা সাবেক কাউন্সিলর বাচ্চু বলেন, ঘটনাটি একটু ভুল বোঝাবুঝির ফলে অনাকাঙ্খিত ভাবে ঘটেছিল।

আমি না বুঝেই সবার সাথে গিয়েছিলাম। তবে রাতেই মূল বিষয়টি জানা গেছে ছেলেটি বাবা মায়ের সাথে ঝগড়া করে ছেলেটি বের হয়েছিল।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন