ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

ভাঙ্গুড়ায় পঞ্চম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০১:১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২০
  • / 11

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পল্লী চিকিৎসক রফিকুল ইসলামের (৩২) বিরুদ্ধে।

শনিবার ১৪ মার্চ সকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশা ইউনিয়নের পুঁইবিল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের (৩২) দিলপাশা ইউনিয়নের তাঁরাপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রফিকুল পলাতক রয়েছেন।

অন্যদিকে রফিকুল প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় থানা পুলিশের নিকট অভিযোগ করতে ভয় পাচ্ছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, ঘটনার দিন সকালে তাদের বাড়িতে কেউ ছিল না। এসময় ঐ ছাত্রী ঘরের মধ্যে একা টিভিতে মটুপাতলু দেখছিল। সে সময় দোকানের হালখাতার কার্ড নিয়ে বাড়িতে আসেন রফিকুল। ছাত্রীকে ঘরে একা পেয়ে রফিকুল তার মুখ চেপে ধরে জোড়পূর্বক ধষর্ণের চেষ্টা করে। ছাত্রীটি কান্নাকাটি শুরু করলে রফিকুল ছাত্রীকে ২০ টাকা দিয়ে বিষয়টি কাউকে বলতে নিষেধ করে পালিয়ে যায়।

পরে ভুক্তভোগীর মা বাড়িতে এলে সে কান্নাজড়িত কন্ঠে ঘটনাটি তার মাকে খুলে বলে।

এরপর ঘটনাটি জানাজানি হলে ঐদিন রাতে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য দিলপাশার ইউনিয়ন পরিষদে একটি শালিশ বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ইউপি চেয়ারম্যান অশোক কুমার ঘোষ প্রনোর নেতৃত্বে স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার সরদার, গ্রাম প্রধান আবু বক্কার খা ও আবুল প্রামানিক উপস্থিত থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রফিকুলকে।

তবে ভুক্তভোগীর পরিবার এই বিচার না মানলে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উপস্থিত সবাই।

স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার থানা পুলিশের নিকট অভিযোগ করতে ভয় পচ্ছেন বলে স্বীকার করেছেন।

ছাত্রীর বাবা সুবিচার না পেয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমরা গরিব মানুষ বলে কি সমাজে বিচার পাইবো না। আমাগো ইজ্জতের কি দাম নাই, আমরা টাকা চাই না। বিচার চাই।

ঘটনার বিষয়ে দিলাপাশার ইউপি চেয়ারম্যান অশোক কুমার ঘোষ প্রনো বলেন, অভিযুক্ত রফিকুল ভুক্তভোগীর শ্লীলতা হানির চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। তবে জরিমানার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, শনিবার রাতে উভয় পরিবারকে নিয়ে পরিষদে শালিশ বৈঠক করা হয়েছিল কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবারের টাকার দাবি না থাকায় আপোষ মীমাংসা হয়নি।

ভাঙ্গুড়ায় পঞ্চম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

প্রকাশিত সময় ০১:১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২০

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পল্লী চিকিৎসক রফিকুল ইসলামের (৩২) বিরুদ্ধে।

শনিবার ১৪ মার্চ সকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশা ইউনিয়নের পুঁইবিল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের (৩২) দিলপাশা ইউনিয়নের তাঁরাপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রফিকুল পলাতক রয়েছেন।

অন্যদিকে রফিকুল প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় থানা পুলিশের নিকট অভিযোগ করতে ভয় পাচ্ছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, ঘটনার দিন সকালে তাদের বাড়িতে কেউ ছিল না। এসময় ঐ ছাত্রী ঘরের মধ্যে একা টিভিতে মটুপাতলু দেখছিল। সে সময় দোকানের হালখাতার কার্ড নিয়ে বাড়িতে আসেন রফিকুল। ছাত্রীকে ঘরে একা পেয়ে রফিকুল তার মুখ চেপে ধরে জোড়পূর্বক ধষর্ণের চেষ্টা করে। ছাত্রীটি কান্নাকাটি শুরু করলে রফিকুল ছাত্রীকে ২০ টাকা দিয়ে বিষয়টি কাউকে বলতে নিষেধ করে পালিয়ে যায়।

পরে ভুক্তভোগীর মা বাড়িতে এলে সে কান্নাজড়িত কন্ঠে ঘটনাটি তার মাকে খুলে বলে।

এরপর ঘটনাটি জানাজানি হলে ঐদিন রাতে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য দিলপাশার ইউনিয়ন পরিষদে একটি শালিশ বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ইউপি চেয়ারম্যান অশোক কুমার ঘোষ প্রনোর নেতৃত্বে স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার সরদার, গ্রাম প্রধান আবু বক্কার খা ও আবুল প্রামানিক উপস্থিত থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রফিকুলকে।

তবে ভুক্তভোগীর পরিবার এই বিচার না মানলে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উপস্থিত সবাই।

স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার থানা পুলিশের নিকট অভিযোগ করতে ভয় পচ্ছেন বলে স্বীকার করেছেন।

ছাত্রীর বাবা সুবিচার না পেয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমরা গরিব মানুষ বলে কি সমাজে বিচার পাইবো না। আমাগো ইজ্জতের কি দাম নাই, আমরা টাকা চাই না। বিচার চাই।

ঘটনার বিষয়ে দিলাপাশার ইউপি চেয়ারম্যান অশোক কুমার ঘোষ প্রনো বলেন, অভিযুক্ত রফিকুল ভুক্তভোগীর শ্লীলতা হানির চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। তবে জরিমানার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, শনিবার রাতে উভয় পরিবারকে নিয়ে পরিষদে শালিশ বৈঠক করা হয়েছিল কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবারের টাকার দাবি না থাকায় আপোষ মীমাংসা হয়নি।