মাইক্রোবাস পুরোনো হলেই রুপান্তরিত হয় এ্যাম্বুলেন্সে

রায়হান হোসাইন, চট্টগ্রামঃ এই বাস্তব চিত্রটির দেখা মেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১ নং গেইট প্রাঙ্গনে!!

নেই ফিটনেসের মেয়াদ কিংবা আবার কোনও ধরনের ডকুমেন্ট। কোন প্রকার কাগজপত্র ছাড়াই অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা পরিচালিত এসব এম্বুলেন্স চলছে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায়!

জরুরী রোগী সেবা বহনকারী প্রায় অধিকাংশ এ্যাম্বুলেন্সগুলো এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। পুরাতন মাইক্রো কিংবা হাইস গাড়ীকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে অধিক লাভের আশায় সাজিয়ে নেয় এ্যাম্বুলেন্সে।

মো: আবুল হোসেন নামক এক ব্যক্তি দৈনিক স্বতঃকন্ঠকে জানান, মৃত পিতাকে নিজ বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ভাড়ার উদ্দ্যেশে জানতে চাইলে উক্ত এম্বুল্যান্সের চালক অধিক ভাড়া দাবী করে।

জৈনক আরেক ব্যক্তির অভিযোগ এসব ফিটনেসবিহীন এ্যাম্বুলেন্সগুলোতে রীতিমতো এখন যাত্রী বহন করছে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। যা ইতিপূর্বে বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদটির সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম এ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি নুর মুহাম্মদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের তুমুল প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করে বলেন-এটা শুধুমাত্র আমার সংগঠন না এবং আমিই কেবলমাত্র এর উপরি পাওনা পাইনা। প্রশাসন থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গদেরও এর ভাগ দিতে হয়।

অপরদিকে রুবেল নামক এক এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের কাছ থেকে তথ্য জানতে চাইলে দৈনিক স্বতঃকন্ঠকে বলেন, প্রায় ৪০০টি এ্যাম্বুলেন্স রয়েছে এ চমেক হাসপাতালে তন্মধ্যে ২৫০টিরও অধিক গাড়ীর কোন প্রকারের কাগজপত্র নেই। শুধু তাই নয় এ্যাম্বুলেন্সগুলোর সঠিকভাবে মেরামত করা হয়না বলেও তিনি জানান।

ফলে প্রতিনিয়তই বড় ধরনের ঝুঁকির সম্ভবনাময় পরিস্থিতি হতে পারে যেকোন মুহুর্ত্বে এমনটিই ধারনা করে বলেন চমেক হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের এক ডাক্তার।

যদি এমন হয় সেবাদানকারী এ্যাম্বুলেন্স সমিতি নামক রক্তচোষা প্রতিষ্ঠানসমূহ আর এ্যাম্বুলেন্স মালিকরা তাহলে রোগীদের ভোগান্তি হওয়াটা কি স্বাভাবিক নয়?

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন