ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

মেডিকেলে চান্স পাওয়া দরিদ্র সেই তৃষার পাশে জেলা প্রশাসক

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৮:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯
  • / 13

: অবশেষে পাবনার ভাঙ্গুড়ার সেই তৃষা পারভীনের মেডিকেল ভর্তির সহায়তায় জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ সহ অনেকে পাশে দাড়িয়েছেন।

‘ভাঙ্গুড়ার তৃষা পারভীন মেড়িকেলে ভর্তি অনিশ্চিত ’ শিরোনামে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এরপর মঙ্গলবার ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আশরাফুজ্জামানের মাধ্যমে তৃষা ও তার অভিভাবককে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে তৃষার হাতে মেড়িকেল ভর্তির ২০ হাজার টাকা তুলে দেন তিনি।

ইউএনও সৈয়দ আশরাফুজ্জামান উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সহায়তায় তৃষার পড়ালেখার খরচ বাবদ এককালীন ১০ হাজার টাকা অর্থসহায়তা প্রদান করেন।

এর মধ্য দিয়ে তৃষা পারভীনের মেডিকেলে ভর্তির পথ সুগম হলো। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়ার ইউএনও সৈয়দ আশরাফুজ্জামান, তৃষার পিতা মোঃ মজিবর রহমান।

পাশাপাশি অপরদিকে তৃষার ভাই আলামিন জানান, ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভবানীপুর নিবাসী ও আমেরিকান প্রবাসী আব্দুল ওহাব মমতা মোস্তফা আইডিয়াল স্কুলের মাধ্যমে তৃষার মেডিকেলে পড়ালেখাকালীন হেস্টেল খরচ বহন করার আশ্বস্ত করেছেন।

উপজেলা পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক মজিবর-কুরসি দম্পতির পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ কন্যা তৃষা পারভীন।

সংসারে অভাবের কারণে অন্য ছেলেমেয়েকে পড়ালেখা করাতে না পারলেও অদম্য মেধার কারণে আর্থিক কষ্টের মধ্য দিয়ে তৃষার দুই ভাই তার পড়া লেখার খরচ চালাচ্ছিলেন।

তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সিলেটের হবিগঞ্জ মেডিকেলে চান্স পায়। এতে তার পরিবারে একদিকে যেমন আনন্দের বন্যা বইতে থাকে অন্যদিকে মেডিকেলে ভর্তি ও পড়ার খরচ নিয়ে দুঃশ্চিতায় পড়ে।

এমন অবস্থার মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ তৃষার পড়া মেডিকেল ভর্তির খরচ দেন এবং মাসে মাসে একটা খরচ দেওয়ারও ঘোষনা দেন।

মেডিকেলে চান্স পাওয়া দরিদ্র সেই তৃষার পাশে জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত সময় ০৮:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

: অবশেষে পাবনার ভাঙ্গুড়ার সেই তৃষা পারভীনের মেডিকেল ভর্তির সহায়তায় জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ সহ অনেকে পাশে দাড়িয়েছেন।

‘ভাঙ্গুড়ার তৃষা পারভীন মেড়িকেলে ভর্তি অনিশ্চিত ’ শিরোনামে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এরপর মঙ্গলবার ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আশরাফুজ্জামানের মাধ্যমে তৃষা ও তার অভিভাবককে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে তৃষার হাতে মেড়িকেল ভর্তির ২০ হাজার টাকা তুলে দেন তিনি।

ইউএনও সৈয়দ আশরাফুজ্জামান উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সহায়তায় তৃষার পড়ালেখার খরচ বাবদ এককালীন ১০ হাজার টাকা অর্থসহায়তা প্রদান করেন।

এর মধ্য দিয়ে তৃষা পারভীনের মেডিকেলে ভর্তির পথ সুগম হলো। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়ার ইউএনও সৈয়দ আশরাফুজ্জামান, তৃষার পিতা মোঃ মজিবর রহমান।

পাশাপাশি অপরদিকে তৃষার ভাই আলামিন জানান, ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভবানীপুর নিবাসী ও আমেরিকান প্রবাসী আব্দুল ওহাব মমতা মোস্তফা আইডিয়াল স্কুলের মাধ্যমে তৃষার মেডিকেলে পড়ালেখাকালীন হেস্টেল খরচ বহন করার আশ্বস্ত করেছেন।

উপজেলা পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক মজিবর-কুরসি দম্পতির পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ কন্যা তৃষা পারভীন।

সংসারে অভাবের কারণে অন্য ছেলেমেয়েকে পড়ালেখা করাতে না পারলেও অদম্য মেধার কারণে আর্থিক কষ্টের মধ্য দিয়ে তৃষার দুই ভাই তার পড়া লেখার খরচ চালাচ্ছিলেন।

তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সিলেটের হবিগঞ্জ মেডিকেলে চান্স পায়। এতে তার পরিবারে একদিকে যেমন আনন্দের বন্যা বইতে থাকে অন্যদিকে মেডিকেলে ভর্তি ও পড়ার খরচ নিয়ে দুঃশ্চিতায় পড়ে।

এমন অবস্থার মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ তৃষার পড়া মেডিকেল ভর্তির খরচ দেন এবং মাসে মাসে একটা খরচ দেওয়ারও ঘোষনা দেন।