রাজশাহীতে ২৯৮ জনের করোনা পরীক্ষায় সকল রির্পোট নেগেটিভ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের করোনা পরীক্ষাগারে এখন পর্যন্ত মোট ২৯৮ জন রোগির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। শনিবার মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯৩ টি। এদিকে নমুনা পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়নি কেউ। সবার রিপোর্ট গুলো নেগেটিভ এসেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেকের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. সাবেরা গুলনাহার।

তিনি জানান, রাজশাহীতে গতকাল শনিবার মোট ৯৩ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়াও আরো কিছু নমুনা আছে ৯৩ টি বেশি নমুনা একদিনে পরীক্ষা করা যাবে না তাই আগামীকাল বাঁকি গুলো পরীক্ষা করা হবে।

গতকাল পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে রাজশাহীতে ৭ টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নেই, নাটোর ৫ টি, নওগাঁ ২২ টি, বগুড়া ২৯ টি, জয়পুরহাট ১১ টি, পাবনা ১০ ও সিরাজগঞ্জ থেকে ৯ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তিনি জানান, শুধু একটি নমুনা পজেটিভ এসেছে বাঁকি গুলো নেগেটিভ। যে নমুনা পজেটিভ এসেছে ইে ব্যক্তি ঢাকা থেকে রংপুর এ যাচ্ছিলো। সে রাজশাহীর বাইরের রোগী।

এদিকে করোনা রোগিদের চিকিৎসায় রামেক হাসপাতালের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে করোনা চিকিৎসা টিমের প্রধান ডা. আজিজুল হক আজাদ জানিয়েছেন, গত ১ এপ্রিল রামেকে ল্যাব চালু হয়। এর মধ্যে বগুড়ার এক ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর বাইরে রাজশাহী বিভাগের কোনো রোগির নমুনায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, শনিবারও ল্যাবে ১১৩ জনের নমুনা এসেছে। এর মধ্যে ৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ল্যাবে একসঙ্গে ৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা যায়। বাঁকি যে নমুনাগুলো রয়েছে, সেগুলো রবিবার পরীক্ষা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া দুই রোগিকে সংক্রমক ব্যাধি (আইডি) হাসপাতালের করোনা বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে একজনের বাড়ি পাবনা এবং অপরজনের রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকায়। পাবনা থেকে আসা ছাত্র ঢাকার মিরপুরে থাকতেন। আর নওদাপাড়া এলাকা থেকে এসে ভর্তি হওয়া ব্যক্তি ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসার কাজে ঢাকার মিরপুরে এলাকায় গিয়েছিলেন।

করোনা চিকিৎসক টিমের এই প্রধান চিকিসক আরো জানান, ঢাকার মিরপুর এলাকায় অনেকগুলো করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগি পাওয়া গেছে। সেখান থেকে ভাইরাস ছড়াতে পারে। সে কারণে এই দুইজনকে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। কারণ তারা দুইজনেই ওই এলাকায় ছিলেন এবং যেতে পারেন। তাদের দুইজনের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকলেও পাবনার ছাত্রের জ্বর কিছুটা কমেছে। তাদের দুইজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে বলে জানান রামেকে এই চিকিৎসক।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন