ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

রায়ের দশ বছরেও চাকরী ফেরত পায়নি শ্রমিক লীগের তিন নেতা

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ১১:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 11

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধিঃ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগের অফিস থেকে বঙ্গবন্ধু ও তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ছবি এবং সাইন বোর্ড অপসারনের ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অপ্রীতিকর ঘটনায় চাকরী চ্যুতির প্রায় বিশ বছর হলেও চাকরী ফেরত পাননি চার শ্রমিক নেতা।

এ কারণে ঐ চার শ্রমিক নেতার পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের মানবেতর জীবন যাপনের কষ্ট লাঘবের লক্ষে চাকরী ফেরত পাবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চাকরীচ্যুত তৎকালিন ঈশ্বরদী বিদ্যুৎ বিভাগের এলডিএ ও জাতীয় শ্রমিকলীগ ঈশ্বরদী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক পুলক বিশ্বাসের লিখিত আবেদন ও অভিযোগ সুত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।

সূত্রমতে,গত ২০০০ সালের আগস্ট মাসে জাতীয় শ্রমিকলীগ ঈশ^রদী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শাখা কার্যালয় থেকে বিনা নোটিশে বঙ্গবন্ধু ও তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ছবি এবং সাইন বোর্ড অপসারণ করে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তৎকালিন আবাসিক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবাসিক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম ও শ্রমিকলীগ নেতাদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটলে আবাসিক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম আহত হন।

এ ঘটনায় দপ্তর প্রধান হিসেবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওহিদুর রহমান ঝন্টু বাদী হয়ে গত ০৮.১০.২০০০ ইং তারিখে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মনসুর রহমান,দপ্তর সম্পাদক শাহাব উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম ও আইন বিষয়ক সম্পাদক পুলক বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা করার প্রায় দু’মাস পর দপ্তর সম্পাদক শাহাবউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি তিন জন পাবনা আদালতে আত্মসমর্পন করেন।

প্রায় ৯ বছর মামলা চলাকালে মনসুর বিশ্বাস মৃত্যু বরণ করেন।

অবশেষে দীর্ঘ প্রায় দশ বছর মামলা চলার পর বিজ্ঞ আদালত গত ১৮.১০.২০১০ ইং তারিখে পুলক বিশ্বাস, শাহাবউদ্দিন ও রেজাউল করিমকে বেকসুর খালাস দেন।

মামলা চলাকালিন সময় থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময় জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগ ঈশ্বরদী শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজদার হোসেন ও সভাপতি নুরুল ইসলাম সাক্ষরিত সংগঠনের রেজুলেশন পত্র তৎকালিন বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগের কেন্দ্রিয় কমিটিসহ তৎকালিন প্রধান মন্ত্রী, বিদ্যুৎ মন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রানালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বরাবর অনুলিপি প্রেরণ করেও কোন লাভ হয়নি। ফলে চাকরীচ্যুত শ্রমিকলীগ নেতারা চাকরী ফেরত না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন। আদালত থেকে রায় পাবার পরও দীর্ঘ প্রায় দশ বছর থেকে তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অসহনীয় মানবেতর জীবন যাপন করতে গিয়ে কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়েছেন।

এ অবস্থায় শেষ ভরসা হিসেবে চাকরী ফেরত পাবার জন্য তারা প্রধান মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

রায়ের দশ বছরেও চাকরী ফেরত পায়নি শ্রমিক লীগের তিন নেতা

প্রকাশিত সময় ১১:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধিঃ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগের অফিস থেকে বঙ্গবন্ধু ও তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ছবি এবং সাইন বোর্ড অপসারনের ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অপ্রীতিকর ঘটনায় চাকরী চ্যুতির প্রায় বিশ বছর হলেও চাকরী ফেরত পাননি চার শ্রমিক নেতা।

এ কারণে ঐ চার শ্রমিক নেতার পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের মানবেতর জীবন যাপনের কষ্ট লাঘবের লক্ষে চাকরী ফেরত পাবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চাকরীচ্যুত তৎকালিন ঈশ্বরদী বিদ্যুৎ বিভাগের এলডিএ ও জাতীয় শ্রমিকলীগ ঈশ্বরদী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক পুলক বিশ্বাসের লিখিত আবেদন ও অভিযোগ সুত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।

সূত্রমতে,গত ২০০০ সালের আগস্ট মাসে জাতীয় শ্রমিকলীগ ঈশ^রদী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শাখা কার্যালয় থেকে বিনা নোটিশে বঙ্গবন্ধু ও তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ছবি এবং সাইন বোর্ড অপসারণ করে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তৎকালিন আবাসিক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবাসিক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম ও শ্রমিকলীগ নেতাদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটলে আবাসিক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম আহত হন।

এ ঘটনায় দপ্তর প্রধান হিসেবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওহিদুর রহমান ঝন্টু বাদী হয়ে গত ০৮.১০.২০০০ ইং তারিখে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মনসুর রহমান,দপ্তর সম্পাদক শাহাব উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম ও আইন বিষয়ক সম্পাদক পুলক বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা করার প্রায় দু’মাস পর দপ্তর সম্পাদক শাহাবউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি তিন জন পাবনা আদালতে আত্মসমর্পন করেন।

প্রায় ৯ বছর মামলা চলাকালে মনসুর বিশ্বাস মৃত্যু বরণ করেন।

অবশেষে দীর্ঘ প্রায় দশ বছর মামলা চলার পর বিজ্ঞ আদালত গত ১৮.১০.২০১০ ইং তারিখে পুলক বিশ্বাস, শাহাবউদ্দিন ও রেজাউল করিমকে বেকসুর খালাস দেন।

মামলা চলাকালিন সময় থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময় জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগ ঈশ্বরদী শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজদার হোসেন ও সভাপতি নুরুল ইসলাম সাক্ষরিত সংগঠনের রেজুলেশন পত্র তৎকালিন বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগের কেন্দ্রিয় কমিটিসহ তৎকালিন প্রধান মন্ত্রী, বিদ্যুৎ মন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রানালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বরাবর অনুলিপি প্রেরণ করেও কোন লাভ হয়নি। ফলে চাকরীচ্যুত শ্রমিকলীগ নেতারা চাকরী ফেরত না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন। আদালত থেকে রায় পাবার পরও দীর্ঘ প্রায় দশ বছর থেকে তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অসহনীয় মানবেতর জীবন যাপন করতে গিয়ে কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়েছেন।

এ অবস্থায় শেষ ভরসা হিসেবে চাকরী ফেরত পাবার জন্য তারা প্রধান মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।