ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

স্বাস্থ্য সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিবেশই যখন অস্বাস্থ্যকর

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৫:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০
  • / 10

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় বিষাক্ত ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে।


ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি প্রাইভেট ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এসব বজ্রের কারণে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীরা। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের সামনে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় পৌরসভার একটি বর্জ্য ফেলার ডাম্পিং স্টেশন ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আপত্তির কারণে সম্প্রতি সেটি অপসারণ করা হয়। এখন এই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের পাশে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সেচ অফিসের সামনের খালে। অনেক হোটেলের বর্জ্যও একইসাথে ফেলা হয়। এতে সেখানে চরম দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। বিএডিসি অফিস চত্বরে এসব পঁচা পানি ঢুকে পড়ছে। অনেকে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও চুলকানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। আশেপাশের এলাকাবাসী ও পথচারীগণও এতে অতিষ্ঠ।

ক্লিনিক্যাল বর্জ্য খুবই বিষাক্ত। এটি বাতাসের সাথে মিশে শরীরে অনেক ধরনের রোগের কারণ হতে পারে। সবচেয়ে মারাত্মক হল, এটি শরীরের রোগকে আরো বাড়িয়ে তুলে। যেকোন যায়গায় ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়াও শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া সহ নানা রোগ ছড়ায়। জনস্বাস্থ্যের জন্য এই দুষিত বাতাস খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের সামনের রাস্তায় ময়লা ফেলা হচ্ছে।

বিএডিসি অফিসের এক কর্মকতা বলেন, আমাদের অফিসের পাশেই হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকের এসকল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। একারণে সারাদিনই অফিসের সকল জানালা বন্ধ রাখতে হয়। একটা বদ্ধ পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে। দুর্গন্ধে অফিসে বসে দুপুরের খাবার খেতে পারি না।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মহাপরিচালক ডাঃ কামদা প্রসাদ জানান মেডিকেল সংলগ্ন বিএডিসি অফিসের সামনে যে বর্জ ফেলা হয় তা আমাদের হাসপাতালের নয়। এ ময়লা প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর। ফমেকের বর্জ্য পৌরসভার গাড়ি এসে নিয়ে যায়।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, একটা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের সামনের অংশে যদি ময়লা ফেলার জায়গা হয়, তবে হাসপাতালের পরিবেশ টা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়? যেখানে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চত করা হবে সেখানেই অস্বাস্থ্যকর পরিবএশ ভাবুন একবার। প্রাইভেট ক্লিনিক সহ রাতের বেলায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও বর্জ্য ময়লা ফেলা হয় এখানে। এই ময়লা ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। বিষাক্ত দুর্গন্ধে রাস্তায় সুস্থ্যভাবে চলাচল করা যাচ্ছে না ও হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট করছে।

স্বাস্থ্য সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিবেশই যখন অস্বাস্থ্যকর

প্রকাশিত সময় ০৫:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় বিষাক্ত ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে।


ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি প্রাইভেট ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এসব বজ্রের কারণে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীরা। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের সামনে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় পৌরসভার একটি বর্জ্য ফেলার ডাম্পিং স্টেশন ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আপত্তির কারণে সম্প্রতি সেটি অপসারণ করা হয়। এখন এই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের পাশে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সেচ অফিসের সামনের খালে। অনেক হোটেলের বর্জ্যও একইসাথে ফেলা হয়। এতে সেখানে চরম দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। বিএডিসি অফিস চত্বরে এসব পঁচা পানি ঢুকে পড়ছে। অনেকে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও চুলকানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। আশেপাশের এলাকাবাসী ও পথচারীগণও এতে অতিষ্ঠ।

ক্লিনিক্যাল বর্জ্য খুবই বিষাক্ত। এটি বাতাসের সাথে মিশে শরীরে অনেক ধরনের রোগের কারণ হতে পারে। সবচেয়ে মারাত্মক হল, এটি শরীরের রোগকে আরো বাড়িয়ে তুলে। যেকোন যায়গায় ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়াও শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া সহ নানা রোগ ছড়ায়। জনস্বাস্থ্যের জন্য এই দুষিত বাতাস খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের সামনের রাস্তায় ময়লা ফেলা হচ্ছে।

বিএডিসি অফিসের এক কর্মকতা বলেন, আমাদের অফিসের পাশেই হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকের এসকল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। একারণে সারাদিনই অফিসের সকল জানালা বন্ধ রাখতে হয়। একটা বদ্ধ পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে। দুর্গন্ধে অফিসে বসে দুপুরের খাবার খেতে পারি না।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মহাপরিচালক ডাঃ কামদা প্রসাদ জানান মেডিকেল সংলগ্ন বিএডিসি অফিসের সামনে যে বর্জ ফেলা হয় তা আমাদের হাসপাতালের নয়। এ ময়লা প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর। ফমেকের বর্জ্য পৌরসভার গাড়ি এসে নিয়ে যায়।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, একটা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের সামনের অংশে যদি ময়লা ফেলার জায়গা হয়, তবে হাসপাতালের পরিবেশ টা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়? যেখানে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চত করা হবে সেখানেই অস্বাস্থ্যকর পরিবএশ ভাবুন একবার। প্রাইভেট ক্লিনিক সহ রাতের বেলায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও বর্জ্য ময়লা ফেলা হয় এখানে। এই ময়লা ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। বিষাক্ত দুর্গন্ধে রাস্তায় সুস্থ্যভাবে চলাচল করা যাচ্ছে না ও হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট করছে।