ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে লাথি মেরেছে বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষক

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৪:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 12

ফারুক হোসেন, মাটিরাঙ্গা) খাগড়াছড়িঃ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস চলাকালীন সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষক নন্দপাল শাহিনা আক্তারকে টেবিলের উপর উঠে স্বজোরে বুকে ও পেটে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে। এই খবর পাওয়ার পর আজ ২০ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ঘটনার সত্যতা মেলে।

জানা যায়, ঐ বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষক নন্দপাল প্রায় সময় শিক্ষার্থীদেরকে উত্যেক্ত করতো কুপ্রস্তাব ও অশালীন ভাষায় কথা বলতো, গতকাল শাহিনা আক্তারকেও কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু শাহিনা আক্তার তা প্রত্যাখ্যান করলে তখন টেবিলের উপর উঠে স্বজোরে বুকে ও পেটে লাথি মেরে ফেলে দেয় ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।

এতে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান শাহিনা আক্তার। তখন সকল ছাত্রছাত্রীরা চিৎকার করলে আশেপাশের ক্লাস থেকে শিক্ষকরা ছুটে আসেন এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়।

মেয়েটি এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দশম শ্রেণির ছাত্রী শাহিনা আক্তার ঐ এলাকার মুসলিম পাড়ার নোয়াব আলী সর্দারের মেয়ে।

তার সহপাঠীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাহিনা আক্তার খুব ভদ্র নম্র সহজ সরল ও মেধাবী ছাত্রী।

আরও জানা যায়, ঐ বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষক নন্দপাল একজন নোংরা মনের মানুষ তিনি প্রায় সময় শিক্ষার্থীদেরকে কুপ্রস্তাব ও অশ্লীল আচরণ করতো, ক্লাস চলাকালীন সময় গায়ে হাত দিয়ে কথা বলতে চায়, গায়ে হাত দিতে না দিলে মারধর করতো।

এ বিষয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্কুল মেনেজিং কমিটির কাছে জানতে চাইলে, তারা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে প্রমানিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে লাথি মেরেছে বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষক

প্রকাশিত সময় ০৪:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ফারুক হোসেন, মাটিরাঙ্গা) খাগড়াছড়িঃ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস চলাকালীন সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষক নন্দপাল শাহিনা আক্তারকে টেবিলের উপর উঠে স্বজোরে বুকে ও পেটে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে। এই খবর পাওয়ার পর আজ ২০ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ঘটনার সত্যতা মেলে।

জানা যায়, ঐ বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষক নন্দপাল প্রায় সময় শিক্ষার্থীদেরকে উত্যেক্ত করতো কুপ্রস্তাব ও অশালীন ভাষায় কথা বলতো, গতকাল শাহিনা আক্তারকেও কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু শাহিনা আক্তার তা প্রত্যাখ্যান করলে তখন টেবিলের উপর উঠে স্বজোরে বুকে ও পেটে লাথি মেরে ফেলে দেয় ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।

এতে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান শাহিনা আক্তার। তখন সকল ছাত্রছাত্রীরা চিৎকার করলে আশেপাশের ক্লাস থেকে শিক্ষকরা ছুটে আসেন এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়।

মেয়েটি এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দশম শ্রেণির ছাত্রী শাহিনা আক্তার ঐ এলাকার মুসলিম পাড়ার নোয়াব আলী সর্দারের মেয়ে।

তার সহপাঠীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাহিনা আক্তার খুব ভদ্র নম্র সহজ সরল ও মেধাবী ছাত্রী।

আরও জানা যায়, ঐ বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষক নন্দপাল একজন নোংরা মনের মানুষ তিনি প্রায় সময় শিক্ষার্থীদেরকে কুপ্রস্তাব ও অশ্লীল আচরণ করতো, ক্লাস চলাকালীন সময় গায়ে হাত দিয়ে কথা বলতে চায়, গায়ে হাত দিতে না দিলে মারধর করতো।

এ বিষয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্কুল মেনেজিং কমিটির কাছে জানতে চাইলে, তারা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে প্রমানিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।