২০ লক্ষ মানুষের জলাবদ্ধতাগত দুর্ভোগ কমাবে ডিএনডি প্রকল্প -পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ “২০ লক্ষ মানুষের জলাবদ্ধতাগত দুর্ভোগ কমাবে ডিএনডি প্রকল্পটি। তাই এর গুরুত্বের কথা বিবেচনা করেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে প্রায় ৫৫৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি ২০১৬ সালে অনুমোদন করেন।

প্রথমে সেচনিষ্কাশনের জন্য ১৯৬২-৬৮ সালে প্রকল্পটি শুরু হলেও সময়ের পরিক্রমায় নগরায়ন, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও আবর্জনার জন্য আবারো জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। অত্র এলাকার সংসদ সদস্য জনাব শামীম ওসমান এলাকাবাসীর জন্য পুণরায় প্রকল্পের জন্য জোর দাবী জানান।” আজ ৮ মার্চ রবিবার নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের (২য় পর্যায়) উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য জনাব শামীম ওসমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে জনাব জাহিদ ফারুক বলেন, নারায়ণগঞ্জবাসী ভাগ্যবান যে তাদের সমস্যা ভাবার মত এমন নেতা পেয়েছে। ৯ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ বৈদ্যুতিক লাইন, গ্যাসের লাইন ইত্যাদি স্থানান্তরের জন্য ব্যয় বেড়ে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা হয়েছে। কিছু খাল একাধিকবার ড্রেজিং হলেও গৃহস্থালি আবর্জনায় তা পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। কাজেই প্রকল্পের সুফল পেতে স্থানীয় জনগণের সচেতন হতে হবে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে সরকারের সাথে জনগণকেও অংশগ্রহণমূলক ভূমিকা রাখতে হবে।

এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, পানি সম্পদ সচিব জনাব কবির বিন আনোয়ার, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জনাব মাহমুদুল হাসান, মহাপরিচালক(বাপাউবো) জনাব এ এম আমিনুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক(পরিকল্পনা) জনাব মোতাহের হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি জনাব মজিবুর রহমানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জ জাতীয় রাজস্বের ২০ ভাগ ও নীটিং রপ্তানিতে প্রায় ৭৫ ভাগ অবদান রাখে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, অত্র এলাকার জনগণের কথা বিবেচনায় প্রকল্পের জন্য বর্ধিত ৭০০ কোটি টাকাও অনুমোদিত হবে।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্প পরিচালক লে.ক মাসফিক (প্রকল্প পরিচালক) জানান খনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে খালসমূহে পানি প্রবাহের ক্ষমতা বেড়েছে অপেক্ষাকৃতভাবে বেড়েছে। তবে অবৈধ দখলদারদের পুনঃদখল, জরিপ জটিলতা, উপযোগ স্থানান্তর, জমি অধিগ্রহণসহ একাধিক প্রতিবন্ধকতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রকল্পটি জুন ২০২০ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল বৃদ্ধি করে একনেকে পাঠানোর অপেক্ষায় আছে।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন