৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব অনিবন্ধিত অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ


স্বতঃকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৫২ রাত, ২৭ মে ২০২২

আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব অনিবন্ধিত অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকারি অধিদপ্তরটি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. মো. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেলাল হোসেন বলেন, ‘গতকাল বুধবার সারা দেশের জেলা সিভিল সার্জনদের সঙ্গে বৈঠক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেখানে অনিবন্ধিত যত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘রাজধানীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিজস্ব মনিটরিং, মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে এবং ঢাকার বাইরে জেলা সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে একইভাবে তদারক করা হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সভায় চারটি সিদ্ধান্ত হয়। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহ বন্ধ করতে হবে। কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে (সকল) যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন গ্রহণ করেছে কিন্তু নবায়ন করেনি, তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য একটি সময়সীমা প্রদান করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন গ্রহণ না করলে সেই সব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহে অপারেশন করার সময় এনেস্থেসিয়া প্রদান এবং ওটি এসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ডাক্তার ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেই সব প্রতিষ্ঠান ও জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছে, তাদের লাইসেন্স প্রদানের কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্স পওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে দেশে অনিবন্ধিত কতটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে কোনও তথ্য পাওয়া যায় নি।

চট্টগ্রামেই আছে অবৈধ ৪০০’র বেশি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ হাজার ২৩২টি বেসরকারি হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অন্তত ৪ শতাধিক। চট্টগ্রাম জেলায় ৫৮০টি প্রতিষ্ঠান থাকলেও সর্বশেষ তথ্যমতে, নবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে ২০০টি প্রতিষ্ঠান। আর চট্টগ্রাম বিভাগে লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছে ১ হাজার ৪০২টি প্রতিষ্ঠান।

 

 আরও পড়ুনঃ

 আরও পড়ুনঃ

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন