ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

ঈশ্বরদীতে দুই গার্মেন্টসকর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৪

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ১১:২৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / 26
গ্রেফতারকৃত আসামী (বাম থেকে) আল আমিন (২৫), মহিদুল সরদার (৩৫), আব্দুর রশীদ (৩৫) ও জাবেদ (৩৫)।

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

পূর্ব পরিচয়ের সুত্রধরে মোবাইল ফোনে পাবনার ঈশ্বরদীতে ডেকে এনে দুই গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়ে রাত ভোর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জড়িত ৫ জনের মধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের শেখপাড়াস্থ আখ ফার্মের আখক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। (রবিবার) দুপুরে আসামীদের আদালতে ও ভিক্টিমদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাবনায় প্রেরণ করা হয়েছে।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঈশ্বরদীর লক্ষীকোলা গ্রামের বাকী বিল্লাহ ছেলে আল আমিন (২৫), একই এলাকার লক্ষীকোলা গ্রামের নায়েব আলী সরদারের ছেলে মহিদুল সরদার (৩৫), নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার গোপালপুরের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুর রশীদ (৩৫) ও একই জেলার বড়াইগ্রাম থানার রাজাপুরের চাঁন মিঞার ছেলে জাবেদ (৩৫)।

থানায় দায়ের করা এজাহার সুত্রে জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কারখানায় একসঙ্গে চাকরীর সুবাদে গাইবান্ধার সাঘাটা থানার বাটি গ্রামের এক গামেন্টস কর্মী ঈশ্বরদীর লক্ষীকোলা গ্রামের আল আমিনের সঙ্গে ভিক্টিমদের পরিচয় ঘটে। এই পরিচয়ে নির্যাতিতদের অপর বান্ধবী ঢাকার আশুলিয়া থানার ঘোষবাগ এলাকার গার্মেন্টসকর্মীরও পরিচয় হয়। এরপর মোবাইল ফোনে আল আমিন মেয়েগুলোকে ঈশ্বরদীতে বেড়াতে আসতে অনুরোধ করেন। এই সুত্রধরে গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে ভিক্টিম দুই বান্ধবী ঢাকা থেকে বাস যোগে ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া আসেন। আল আমিন তার অপর ৪ সহযোগিকে সঙ্গে নিয়ে মেয়েগুলিকে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে সময় ক্ষেপন করেন। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেয়েদের নিয়ে আল আমিন তার বোনের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে ভটভটি যোগে রওনা দেন। ভটভটি মুলাডুলির ইক্ষু ফার্মের ভিতরের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় নির্জনে ভটভটি থামিয়ে তাদের দুই বান্ধবীকে জোড়পূর্বকভাবে আল আমিন তার অপর ৪ সহযোগি মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এক ভিক্টিম ধর্ষকদের হাতে কামড় ও লাথি দিয়ে বিবস্ত্র অবস্থাতেই দৌড়ে দাশুড়িয়া-নাটোর রাস্তায় চলে আসেন। এসময় ওই মেয়েটি রাস্তায় চলাচলকারী এক সিএনজি চালকের সহযোগিতায় পুলিশের মোবাইল টিমের নিকট আসেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অপরজনকে উদ্ধার করে থানায় আনেন।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, নির্যাতিত দুই মেয়েকে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে থানায় আনা হয়। এরপর তাদের দেওয়া অভিযোগ ও ধর্ষকদের চেহারার বর্ণনা এবং পূর্ব পরিচিত আল আমিনের মোবাইল ফোনের সুত্র ধরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক পর্যায় ৫ ধর্ষকের মধ্যে ৪জনকে কুষ্টিয়া ও বড়াইগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরও বলেন, আসামীদের রবিবার দুপুরে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর ধর্ষিতাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
 


 আরও পড়ুনঃ

 আরও পড়ুনঃ


ঈশ্বরদীতে দুই গার্মেন্টসকর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৪

প্রকাশিত সময় ১১:২৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
গ্রেফতারকৃত আসামী (বাম থেকে) আল আমিন (২৫), মহিদুল সরদার (৩৫), আব্দুর রশীদ (৩৫) ও জাবেদ (৩৫)।

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

পূর্ব পরিচয়ের সুত্রধরে মোবাইল ফোনে পাবনার ঈশ্বরদীতে ডেকে এনে দুই গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়ে রাত ভোর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জড়িত ৫ জনের মধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের শেখপাড়াস্থ আখ ফার্মের আখক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। (রবিবার) দুপুরে আসামীদের আদালতে ও ভিক্টিমদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাবনায় প্রেরণ করা হয়েছে।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঈশ্বরদীর লক্ষীকোলা গ্রামের বাকী বিল্লাহ ছেলে আল আমিন (২৫), একই এলাকার লক্ষীকোলা গ্রামের নায়েব আলী সরদারের ছেলে মহিদুল সরদার (৩৫), নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার গোপালপুরের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুর রশীদ (৩৫) ও একই জেলার বড়াইগ্রাম থানার রাজাপুরের চাঁন মিঞার ছেলে জাবেদ (৩৫)।

থানায় দায়ের করা এজাহার সুত্রে জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কারখানায় একসঙ্গে চাকরীর সুবাদে গাইবান্ধার সাঘাটা থানার বাটি গ্রামের এক গামেন্টস কর্মী ঈশ্বরদীর লক্ষীকোলা গ্রামের আল আমিনের সঙ্গে ভিক্টিমদের পরিচয় ঘটে। এই পরিচয়ে নির্যাতিতদের অপর বান্ধবী ঢাকার আশুলিয়া থানার ঘোষবাগ এলাকার গার্মেন্টসকর্মীরও পরিচয় হয়। এরপর মোবাইল ফোনে আল আমিন মেয়েগুলোকে ঈশ্বরদীতে বেড়াতে আসতে অনুরোধ করেন। এই সুত্রধরে গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে ভিক্টিম দুই বান্ধবী ঢাকা থেকে বাস যোগে ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া আসেন। আল আমিন তার অপর ৪ সহযোগিকে সঙ্গে নিয়ে মেয়েগুলিকে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে সময় ক্ষেপন করেন। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেয়েদের নিয়ে আল আমিন তার বোনের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে ভটভটি যোগে রওনা দেন। ভটভটি মুলাডুলির ইক্ষু ফার্মের ভিতরের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় নির্জনে ভটভটি থামিয়ে তাদের দুই বান্ধবীকে জোড়পূর্বকভাবে আল আমিন তার অপর ৪ সহযোগি মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এক ভিক্টিম ধর্ষকদের হাতে কামড় ও লাথি দিয়ে বিবস্ত্র অবস্থাতেই দৌড়ে দাশুড়িয়া-নাটোর রাস্তায় চলে আসেন। এসময় ওই মেয়েটি রাস্তায় চলাচলকারী এক সিএনজি চালকের সহযোগিতায় পুলিশের মোবাইল টিমের নিকট আসেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অপরজনকে উদ্ধার করে থানায় আনেন।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, নির্যাতিত দুই মেয়েকে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে থানায় আনা হয়। এরপর তাদের দেওয়া অভিযোগ ও ধর্ষকদের চেহারার বর্ণনা এবং পূর্ব পরিচিত আল আমিনের মোবাইল ফোনের সুত্র ধরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক পর্যায় ৫ ধর্ষকের মধ্যে ৪জনকে কুষ্টিয়া ও বড়াইগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরও বলেন, আসামীদের রবিবার দুপুরে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর ধর্ষিতাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
 


 আরও পড়ুনঃ

 আরও পড়ুনঃ