ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

দেশী গরুর ব্যাপক চাহিদা পাবনায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশু হাট

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ১০:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৮
  • / 11

পাবনার নয়টি উপজেলার বিভিন্ন হাটে আসন্ন ঈদুল আযহা ঈদের শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে গরু,মহিষ ও ছাগলের হাট। পাবনা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাজিরহাট ও ঈশ্বরদীর অরুণখোলা গরুর হাট।

বিশেষ করে সপ্তাহে দু’দিন শুক্রবার ও মঙ্গলবার হাজিরহাট বসে। সপ্তাহের মঙ্গলবার হাট বসে অরুণখোলায়। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে নামকরা এ দু’টি হাটে বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ ও ছাগলের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য পাবনা সদর থানা পুলিশ ও ঈশ্বরদী থানা পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি হাট ইজারাদারের নিজস্ব লোকজন প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

এবারের ঈদের হাট গুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা থাকলেও দাম ভালো নেই বড় গরুর। এ বছর গরু-ছাগলের দাম ঈদ উপলক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেলেও এখন দাম বাড়তে শুরু করেছে।

গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে স্থানীয় অর্থাৎ দেশী গরুর চাহিদা অন্যান্য বারের মত এবারো বেশি। তাই দামটাও স্থানীয় গরুর ভালো। এক্ষেত্রে দেশীও গরুর খামারীরা বেশ সন্তষ্ট।

গরু ব্যবসায়ীরাও দেশী গরু টানছেন বেশি। অন্যদিকে ক্রেতাদের সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে কুরবানির কাজটি সম্পন্ন করতে পশু কিনতে হাটগুলোতে শেষ মূহুর্তে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়।

এবার হাজিরহাট ও অরুণখোলা হাটে ভারতীয় গরু না থাকায় দেশি গরুর আগমন কয়েক গুন বেশি। যৎসামান্য ভারতীয় গরু যা হাটে আসছে তা অবিক্রিত থেকে যাওয়ার আশংঙ্কা করছেন বিক্রেতারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত শুক্রবার পাবনা সদর উপজেলার হাজিরহাট গরুর হাট ঘুরে দেখা গেছে হাটের হাল চিত্র। এবার হাটে ছাগলের পাশাপাশি ভেড়াও যোগ হয়েছে অনেক বেশি। হাটে বেচাকেনা জমে উঠেছে পুরোদমে।

হাটে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে দেশী গরু। জেলার অন্যান্য গরুর হাট গুলোতে এবার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশি গরু আসছে। তবে ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে কিছু গরু না আসায় বেশি দামে দেশী গরু কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহীরও কমতি নেই।

হাটে ছাগলের আমদানীও যথেষ্ট। এ হাটে গত কয়েক হাটের তুলনায় বিক্রিও অনেক বেশি। হাটে ৩০ থেকে শুরু করে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাম চাইছেন বিক্রেতারা তবে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার গরু ও ৩০ হাজার টাকার ছাগল বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সুজানগর উপজেলার আবদুস সুবহানের সুদর্শণ ছাগলটির দাম হাঁকছেন ৪০ হাজার টাকা। ৩৫ হাজার টাকা বিক্রি করার টার্গেট তার। তবে ৪৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের গরু বেশি বিক্রি হয়েছে বলে ইজারদার সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া ৭৫ হাজার থেকে ১ লাক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের গরু কিছু বিক্রি হয়েছে বলেও তারা জানান। ছাগল ও ভেড়া বিক্রি হয়েছে অনেক বেশি। ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা মূল্যের ছাগল বিক্রি হয়েছে অনেক বেশি।

নারায়নপুর থেকে আসা গরু ব্যবসায়ী আহসান উল্লাহ জানান, তার গরুর দাম ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু তোরা ১ লাক্ষ ২০ হাজারের বেশি দাম দিতে চাইছে না

এ বিষয়ে অরুণখোলা ইজাদার সূত্রে জানা যায়, এ বছর ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে কিছু গরু না আসায় দেশীয় গরুর আমদানি বেশি তবে দেশী গরুর দামও অনেক বেশি। ক্রেতারা কিনছেনও ভালো।

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে হাটের আইন শৃঙ্খলা ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান,

হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তাসহ রাস্তা-ঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।এছাড়া পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি হাট ইজারাদাররা তাদের নিজস্ব লোকজন প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

দেশী গরুর ব্যাপক চাহিদা পাবনায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশু হাট

প্রকাশিত সময় ১০:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৮

পাবনার নয়টি উপজেলার বিভিন্ন হাটে আসন্ন ঈদুল আযহা ঈদের শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে গরু,মহিষ ও ছাগলের হাট। পাবনা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাজিরহাট ও ঈশ্বরদীর অরুণখোলা গরুর হাট।

বিশেষ করে সপ্তাহে দু’দিন শুক্রবার ও মঙ্গলবার হাজিরহাট বসে। সপ্তাহের মঙ্গলবার হাট বসে অরুণখোলায়। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে নামকরা এ দু’টি হাটে বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ ও ছাগলের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য পাবনা সদর থানা পুলিশ ও ঈশ্বরদী থানা পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি হাট ইজারাদারের নিজস্ব লোকজন প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

এবারের ঈদের হাট গুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা থাকলেও দাম ভালো নেই বড় গরুর। এ বছর গরু-ছাগলের দাম ঈদ উপলক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেলেও এখন দাম বাড়তে শুরু করেছে।

গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে স্থানীয় অর্থাৎ দেশী গরুর চাহিদা অন্যান্য বারের মত এবারো বেশি। তাই দামটাও স্থানীয় গরুর ভালো। এক্ষেত্রে দেশীও গরুর খামারীরা বেশ সন্তষ্ট।

গরু ব্যবসায়ীরাও দেশী গরু টানছেন বেশি। অন্যদিকে ক্রেতাদের সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে কুরবানির কাজটি সম্পন্ন করতে পশু কিনতে হাটগুলোতে শেষ মূহুর্তে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়।

এবার হাজিরহাট ও অরুণখোলা হাটে ভারতীয় গরু না থাকায় দেশি গরুর আগমন কয়েক গুন বেশি। যৎসামান্য ভারতীয় গরু যা হাটে আসছে তা অবিক্রিত থেকে যাওয়ার আশংঙ্কা করছেন বিক্রেতারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত শুক্রবার পাবনা সদর উপজেলার হাজিরহাট গরুর হাট ঘুরে দেখা গেছে হাটের হাল চিত্র। এবার হাটে ছাগলের পাশাপাশি ভেড়াও যোগ হয়েছে অনেক বেশি। হাটে বেচাকেনা জমে উঠেছে পুরোদমে।

হাটে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে দেশী গরু। জেলার অন্যান্য গরুর হাট গুলোতে এবার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশি গরু আসছে। তবে ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে কিছু গরু না আসায় বেশি দামে দেশী গরু কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহীরও কমতি নেই।

হাটে ছাগলের আমদানীও যথেষ্ট। এ হাটে গত কয়েক হাটের তুলনায় বিক্রিও অনেক বেশি। হাটে ৩০ থেকে শুরু করে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাম চাইছেন বিক্রেতারা তবে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার গরু ও ৩০ হাজার টাকার ছাগল বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সুজানগর উপজেলার আবদুস সুবহানের সুদর্শণ ছাগলটির দাম হাঁকছেন ৪০ হাজার টাকা। ৩৫ হাজার টাকা বিক্রি করার টার্গেট তার। তবে ৪৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের গরু বেশি বিক্রি হয়েছে বলে ইজারদার সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া ৭৫ হাজার থেকে ১ লাক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের গরু কিছু বিক্রি হয়েছে বলেও তারা জানান। ছাগল ও ভেড়া বিক্রি হয়েছে অনেক বেশি। ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা মূল্যের ছাগল বিক্রি হয়েছে অনেক বেশি।

নারায়নপুর থেকে আসা গরু ব্যবসায়ী আহসান উল্লাহ জানান, তার গরুর দাম ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু তোরা ১ লাক্ষ ২০ হাজারের বেশি দাম দিতে চাইছে না

এ বিষয়ে অরুণখোলা ইজাদার সূত্রে জানা যায়, এ বছর ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে কিছু গরু না আসায় দেশীয় গরুর আমদানি বেশি তবে দেশী গরুর দামও অনেক বেশি। ক্রেতারা কিনছেনও ভালো।

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে হাটের আইন শৃঙ্খলা ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান,

হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তাসহ রাস্তা-ঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।এছাড়া পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি হাট ইজারাদাররা তাদের নিজস্ব লোকজন প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।