বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রর আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ সন্ধ্যা

৩১ আগস্ট, শুক্রবার পাবনার শিল্পকলা চর্চার অন্যতম পীঠস্থান বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রর আয়োজনে নিজস্ব মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিবারের ন্যায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্বাগত বক্তব্যে বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের কার্যনির্বাহী সদস্য ড. মোঃ হাবিবুল্লাহ্ বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ও জাতীয় কবি নজরুল তাঁদের সৃষ্টিশীল বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রগতিশীল, শিক্ষিত দেশ ও জাতি এবং বিশ্ব গঠনের যে বাণী প্রচার করেছেন তা আমাদের ধারণ করতে হবে।

বাংলা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিনির্মাণে এবং অসাম্প্রদায়িক মানবতাবদী সমাজ গঠনে এই দুই কবি যে অবদান রেখেছেন একুশ শতকের আজকের দিনেও তা আমাদের প্রেরণা যুগিয়ে চলেছে। বাঙালির এই দুই কৃতি সন্তানকে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পবিবেশন করেন আবুল হাশেম, আবুল কাশেম, প্রদীপ কুমার দাস, বাবলু বসাক, পরজ কুমার চৌধুরী, শফিক উদ্দীন আহম্মেদ, খন্দকার জহুরুল ইসলাম সেলিম, শংকর বিশ্বাস, ড. মোঃ হাবিবুল্লাহ্, বংকেশ সরকার, বাবলা ওয়াজেদ, মারুফা মঞ্জুরী খান সৌমি, মমতাজ আজীজ, শ্যামলী দাস, শেখ তোজা ফাহমিদা চাঁদনী, ফিারোজ আলম স্বপন ও মালিহা মাহবুবা।

নৃত্য পরিবেশন করেন- সিঞ্চন, কঙ্কা, অর্পা, রুপন্তি, প্রজ্ঞা, তুলনা, ছোঁয়া, তোয়া ও অর্মি। কবিতা আবৃত্তিতে ছিলেন- স্বাধীন মজুমদার ও মারুফা মঞ্জুরী খান সৌমি। অনুষ্ঠানে যন্ত্র সহযোগিতায় ছিলেন প্রলয় চাকী, সঞ্জীব দাস নন্দ, রিতম দাস, রাজু, অনিক ও রতন।

শব্দ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন শামীম, আলোক প্রক্ষেপনে- আনিসুর রহমান, মতিনুর রহমান সবুজ ও স্বপন এবং মঞ্চ নিয়ন্ত্রণে খন্দকার মারুফুর রহমান।

স্বাধীন মজুমদার সঞ্চালিত অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ আব্দুল হান্নান, প্রলয় চাকী এবং আলী আহসান বক্তার। পাবনার সকল শ্রেণির সুধীজন, সাংস্কৃতি কর্মী এবং বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সদস্যগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন