ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com

পাবনা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০৯:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯
  • / 12

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ এর স্ভাপতিত্বে “পাবনা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, আমারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার আগে থেকেই পাবনা জেলা প্রশাসন সতর্ক দৃষ্টি রাখছি।

ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নদীরপাড় এলাকার এবং ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যখন যেভাবে প্রয়োজন পাবনা জেলা প্রশাসন তখন সেখানে সেভাবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আপনারা সাংবাদিক,আপনারাও তথ্য দেবেন, সার্বিক সহযোগীতা করবেন, ব্র্যাক ও অনান্য বেসরকারী প্রতিষ্ঠানও সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছে।

তিনি জানান,গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গা, পদ্মা অববাহিকার উভয় অংশে ‘নিম্নচাপজনিত অতিবৃষ্টির’ ফলে নতুন করে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সে কারণেই উজানে ভারতের বিভিন্ন জেলায় ও ভাটিতে বাংলাদেশে বন্যার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায় বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য থেকে।

এবার ভরা বর্ষায় জুলাইয়ে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জসহ ২৮টি জেলা পস্নাবিত হয়।

বন্যায় শতাধিকের মৃত্যুর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৩০ লাখের বেশি মানুষ।

তন্মেধ্যে পাবনা জেলার পাবনা সদর এর হিমায়েতপুর, ভাঁড়ারা, দোগাছি এবং চরতারাপুর, ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী, লক্ষীকুন্ডা এবং সাঁড়া ইউনিয়ন,সুজানগরের ভায়না, সাতবাড়িয়া, নাজিরগঞ্জ, মানিকহাট, সাগরকান্দি এবং পৌরসভা।

প্লাবিত হয়েছে প্রায় কয়েক’শ বসতি ঘর-বাড়ী ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রায় ১২৩৮.৪ হেক্টর ঈশ^রদী উপজেলায়, পাবনা সদরে ১৫০.৫৫ হেক্টর, সুজানগরে ২০৪.০০ হেক্টর ফসলি ও নিচু জমি।

ইতোমধ্যে ঈশ্বরদী উপজেলায় ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, পাবনা সদরে ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার, সুজানগর উপজেলায় ২০৪.০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রার্ন বিতরণ করা হয়েছে ।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে শুকনো খাবার ৭২৫ প্যাকেট, খয়রাতি চাল ১৮০ মেঃ টন ও নগদ টাকা ২লক্ষ ৩০ হাজার মজুদ আছে।

এবং গত ০১/১০/১৯ খ্রিঃ তারিখের ৫৩৮ নং পত্রের মাধ্যমে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) প্যাকেট শুকনো খাবার , ৫০০(পাঁছশত) মেঃটন চাল এবং ১০ লক্ষ (দশ লক্ষ) টাকার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে।

তবে পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টরা সবাই সচেষ্ট রয়েছেন। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখছেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাহেদ পারভেজ,পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল হক, ডিআরও সিরাজুল ইসলাম, সহ পাবনায় কর্মরত সকল মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

পাবনা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত সময় ০৯:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ এর স্ভাপতিত্বে “পাবনা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, আমারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার আগে থেকেই পাবনা জেলা প্রশাসন সতর্ক দৃষ্টি রাখছি।

ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নদীরপাড় এলাকার এবং ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যখন যেভাবে প্রয়োজন পাবনা জেলা প্রশাসন তখন সেখানে সেভাবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আপনারা সাংবাদিক,আপনারাও তথ্য দেবেন, সার্বিক সহযোগীতা করবেন, ব্র্যাক ও অনান্য বেসরকারী প্রতিষ্ঠানও সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছে।

তিনি জানান,গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গা, পদ্মা অববাহিকার উভয় অংশে ‘নিম্নচাপজনিত অতিবৃষ্টির’ ফলে নতুন করে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সে কারণেই উজানে ভারতের বিভিন্ন জেলায় ও ভাটিতে বাংলাদেশে বন্যার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায় বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য থেকে।

এবার ভরা বর্ষায় জুলাইয়ে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জসহ ২৮টি জেলা পস্নাবিত হয়।

বন্যায় শতাধিকের মৃত্যুর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৩০ লাখের বেশি মানুষ।

তন্মেধ্যে পাবনা জেলার পাবনা সদর এর হিমায়েতপুর, ভাঁড়ারা, দোগাছি এবং চরতারাপুর, ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী, লক্ষীকুন্ডা এবং সাঁড়া ইউনিয়ন,সুজানগরের ভায়না, সাতবাড়িয়া, নাজিরগঞ্জ, মানিকহাট, সাগরকান্দি এবং পৌরসভা।

প্লাবিত হয়েছে প্রায় কয়েক’শ বসতি ঘর-বাড়ী ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রায় ১২৩৮.৪ হেক্টর ঈশ^রদী উপজেলায়, পাবনা সদরে ১৫০.৫৫ হেক্টর, সুজানগরে ২০৪.০০ হেক্টর ফসলি ও নিচু জমি।

ইতোমধ্যে ঈশ্বরদী উপজেলায় ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, পাবনা সদরে ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার, সুজানগর উপজেলায় ২০৪.০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রার্ন বিতরণ করা হয়েছে ।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে শুকনো খাবার ৭২৫ প্যাকেট, খয়রাতি চাল ১৮০ মেঃ টন ও নগদ টাকা ২লক্ষ ৩০ হাজার মজুদ আছে।

এবং গত ০১/১০/১৯ খ্রিঃ তারিখের ৫৩৮ নং পত্রের মাধ্যমে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) প্যাকেট শুকনো খাবার , ৫০০(পাঁছশত) মেঃটন চাল এবং ১০ লক্ষ (দশ লক্ষ) টাকার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে।

তবে পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টরা সবাই সচেষ্ট রয়েছেন। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখছেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাহেদ পারভেজ,পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল হক, ডিআরও সিরাজুল ইসলাম, সহ পাবনায় কর্মরত সকল মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।