ঈশ্বরদীতে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়ের আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি।

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২:৪১ পূর্বাহ্ন, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২

পাবনার ঈশ্বরদীতে রুপা খাতুন(৩০ )নামের এক বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার ১৫ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চররূপপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রূপা খাতুন চররূপপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর কনস্টেবল আব্দুল বারীর মেয়ে।

নিহতের পিতা আব্দুল বারী জানান, ‘আমার মেয়ে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী, তার অসহায়ত্ব ও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গত ৩ মে তারিখে কোরবান আলী মৃধার ছেলে উজ্জল মৃধা আমার বাসায় ঢুকে আমার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে আমি জানতে পারলে বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় ৯ (৪)-(খ) ২০০০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩, ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধে মামলা দায়ের করি। এরপর ঈশ্বরদী থানা পুলিশ উজ্জ্বল মৃধাকে গ্রেফতার করে ১৭ মে পাবনা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন। কিন্তু কিছুদিন পর জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় আমার মেয়েকে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে । এরপরও পাড়াপ্রতিবেশি লোকজনের বিভিন্ন ধরনের কটুক্তি ও অপমানজনক কথাবার্তার কারনেই আমার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। মেয়ের আত্মহত্যার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার মেয়েকে আত্নহত্যা করতে যারা বাধ্য করেছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিচারের দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, থানায় খবর পাওয়ার পর লাশটি উদ্ধার করে পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 


 আরও পড়ুনঃ

 আরও পড়ুনঃ


একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন

[gs-fb-comments]