ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com // দৈনিক স্বতঃকণ্ঠ অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭১১-৩৩৩৮১১, ০১৭৪৪-১২৪৮১৪

ঈশ্বরদীতে পুকুর খনন করতে গিয়ে মিলল গ্রেনেড

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় ১১:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০২৪
  • / 53

পুকুর খনন করতে গিয়ে পাওয়া গ্রেনেড।



পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুর খনন করতে গিয়ে মিলল পরিত্যক্ত গ্রেনেড। গ্রেনেডটি মাটি চাপা দিয়ে স্থানটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

বুধবার ৮ মে সন্ধ্যায় শহরের এমএস কলোনি তিনতলা এলাকায় খনন কাজ চলমান একটি পুকুরে এই গ্রেনেড দেখতে পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সুত্রে জানা যায়, রেলওয়ের জমিতে খোকন নামের এক মাছ ব্যবসায়ী বেশ কিছুদিন ধরে এমএস কলোনির তিনতলা মাঠে পুকুর খননের কাজ করছে। শ্রমিকরা কাজ শেষ করে বিকেলে চলে যায়। তখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া স্বর্ণা নামের এক শিশু কন্যা বাড়ির পেছনে গিয়ে উপরের অংশে লাল টেপ মোড়ানো লোহার গোলকের মত বস্তুটি খেলনা ভেবে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা সুবাস কুমার দাস ওরফে ধলা গোলাকার বস্তুটি গ্রেনেড বলে বুঝতে পারে। তখন বিপদের আশংকায় গোলাকার বস্তুটি পূর্বের স্থানে রেখে জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান ধলা।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এলাকাটি পাক বাহিনীর দোসর রাজাকার, আল বদর ও আল শামস অধ্যুষিত এলাকা ছিল। ওই সময় গ্রেনেডটি যেকোনভাবে ঘটনাস্থলে অবিস্ফোরিত হয়ে মাটি চাপা পড়েছিল। মাটি খনন করায় সেটি বের হয়ে এসেছে।

ওসি আরও জানান, বর্তমানে গ্রেনেডটি মাটা চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। এলাকাটি আম বাগান পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোঃ সবুজ আলী তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়েছে। বোম নিষ্ক্রিয় করার জন্য র‍্যাবের বোম ডিসপোজাল টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দলটি ঘটনাস্থলে এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার কথা রয়েছে।

এই রকম আরও টপিক

ঈশ্বরদীতে পুকুর খনন করতে গিয়ে মিলল গ্রেনেড

প্রকাশিত সময় ১১:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০২৪



পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুর খনন করতে গিয়ে মিলল পরিত্যক্ত গ্রেনেড। গ্রেনেডটি মাটি চাপা দিয়ে স্থানটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

বুধবার ৮ মে সন্ধ্যায় শহরের এমএস কলোনি তিনতলা এলাকায় খনন কাজ চলমান একটি পুকুরে এই গ্রেনেড দেখতে পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সুত্রে জানা যায়, রেলওয়ের জমিতে খোকন নামের এক মাছ ব্যবসায়ী বেশ কিছুদিন ধরে এমএস কলোনির তিনতলা মাঠে পুকুর খননের কাজ করছে। শ্রমিকরা কাজ শেষ করে বিকেলে চলে যায়। তখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া স্বর্ণা নামের এক শিশু কন্যা বাড়ির পেছনে গিয়ে উপরের অংশে লাল টেপ মোড়ানো লোহার গোলকের মত বস্তুটি খেলনা ভেবে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা সুবাস কুমার দাস ওরফে ধলা গোলাকার বস্তুটি গ্রেনেড বলে বুঝতে পারে। তখন বিপদের আশংকায় গোলাকার বস্তুটি পূর্বের স্থানে রেখে জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান ধলা।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এলাকাটি পাক বাহিনীর দোসর রাজাকার, আল বদর ও আল শামস অধ্যুষিত এলাকা ছিল। ওই সময় গ্রেনেডটি যেকোনভাবে ঘটনাস্থলে অবিস্ফোরিত হয়ে মাটি চাপা পড়েছিল। মাটি খনন করায় সেটি বের হয়ে এসেছে।

ওসি আরও জানান, বর্তমানে গ্রেনেডটি মাটা চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। এলাকাটি আম বাগান পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোঃ সবুজ আলী তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়েছে। বোম নিষ্ক্রিয় করার জন্য র‍্যাবের বোম ডিসপোজাল টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দলটি ঘটনাস্থলে এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার কথা রয়েছে।