ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com // দৈনিক স্বতঃকণ্ঠ অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭১১-৩৩৩৮১১, ০১৭৪৪-১২৪৮১৪

মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় ২ পুলিশকে মারধর

রাজশাহী ব্যুরো চিফ
  • প্রকাশিত সময় ০৭:১২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
  • / 65



মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় রাজশাহীতে এক যুবক দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছেন।

রবিবার ১৯ মে দুপুরে নগরীর বোয়ালিয়া থানার পঞ্চবটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্ত যুবককে আটক করেন। তাকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

আটক যুবকের নাম মো. সোহান (২৩)। রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর এলাকায় তার বাড়ি। সোহান পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি।

আহত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন-শামীম হোসেন ও শহিদুল ইসলাম। ঘটনার পর তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী উপপরিদর্শক (এসআই) ইকরামুল হক জানান, তিনি একটি টিম নিয়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করছিলেন। কনস্টেবল শামীম সে সময় সোহানের মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সংকেত দেন। সোহান মোটরসাইকেল থামিয়েই প্রশ্ন করেন, তার হেলমেট আছে, কাগজপত্রও আছে। তারপরেও কেন তাকে থামানো হলো। কনস্টেবল শামীম বলেন, ‘কাগজপত্র থাকলে স্যারকে দেখান।’

‘এ সময় শামীমের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন সোহান। কনস্টেবল শামীম তখন মোটরসাইকেল থেকে চাবি তুলে নেন। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে শামীমকে ঘুষি মারেন সোহান। তখন আরেক কনস্টেবল শহিদুল তাকে রক্ষায় এগিয়ে যান। তখন ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা একটি কাঠের চলা দিয়ে শহিদুলকে মারতে শুরু করেন সোহান। এতে শহিদুলের মুখে রক্তাক্ত জখম হয়।

এসআই ইকরামুল হক জানান, আহত দুই পুলিশ কনস্টেবলের চিকিৎসা চলছে। আটক যুবককে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হবে। এরপর তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

এই রকম আরও টপিক

মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় ২ পুলিশকে মারধর

প্রকাশিত সময় ০৭:১২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪



মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় রাজশাহীতে এক যুবক দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছেন।

রবিবার ১৯ মে দুপুরে নগরীর বোয়ালিয়া থানার পঞ্চবটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্ত যুবককে আটক করেন। তাকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

আটক যুবকের নাম মো. সোহান (২৩)। রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর এলাকায় তার বাড়ি। সোহান পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি।

আহত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন-শামীম হোসেন ও শহিদুল ইসলাম। ঘটনার পর তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী উপপরিদর্শক (এসআই) ইকরামুল হক জানান, তিনি একটি টিম নিয়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করছিলেন। কনস্টেবল শামীম সে সময় সোহানের মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সংকেত দেন। সোহান মোটরসাইকেল থামিয়েই প্রশ্ন করেন, তার হেলমেট আছে, কাগজপত্রও আছে। তারপরেও কেন তাকে থামানো হলো। কনস্টেবল শামীম বলেন, ‘কাগজপত্র থাকলে স্যারকে দেখান।’

‘এ সময় শামীমের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন সোহান। কনস্টেবল শামীম তখন মোটরসাইকেল থেকে চাবি তুলে নেন। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে শামীমকে ঘুষি মারেন সোহান। তখন আরেক কনস্টেবল শহিদুল তাকে রক্ষায় এগিয়ে যান। তখন ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা একটি কাঠের চলা দিয়ে শহিদুলকে মারতে শুরু করেন সোহান। এতে শহিদুলের মুখে রক্তাক্ত জখম হয়।

এসআই ইকরামুল হক জানান, আহত দুই পুলিশ কনস্টেবলের চিকিৎসা চলছে। আটক যুবককে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হবে। এরপর তাকে আদালতে পাঠানো হবে।